দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে জিরো টলারেন্স: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসি 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক মো. দিদারুল আলম বলেছেন, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে জিরো টলারেন্স। আমার সময়কালে এই দুইটা জিনিস কখনোই হবে না। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি দুর্নীতি অথবা কাউকে দুর্ভোগে ফেলার অভিযোগ আসে, সেটি ছাড় দেওয়া হবে না। 

বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। 

এ সময় চার লেন সড়কের প্রকল্প নিয়ে মো. দিদারুল আলম বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যোগদানের পর মহাসড়কের অবস্থাটি আমি দেখেছি। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সড়কের কাজে সংযুক্ত লোকজন ভারতে চলে গেছে। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রধান উপদেষ্টা চার লেন সড়কের বাকি কাজগুলো সরকারি অর্থায়নে করার অনুমোদন দিয়েছে। তাই অতি দ্রুতই চার লেন সড়কের অসমাপ্ত কাজ শুরু হবে। 

তিনি আরও বলেন, আমি জেনে অবাক হয়েছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটি নেই। যেহেতু বিষয়টি আমার জ্ঞাতার্থে এসেছে, সেহেতু অবশ্যই আমার এফসিআর রিপোর্টে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করে দেওয়ার বিষয়টি জানানো হবে। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজনের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাহমুদা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম ইসলাম মোল্লাসহ কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ।