আলোহা ইন্টারন্যাশনাল আয়োজনে ‘ইন্টারন্যাশনাল মন্টোল এরথিমটেকি কম্পিটিশনে’ অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। এ সময় ‘আলোহা জিওমেট্রি ল্যান্ড’ কোর্স উদ্বোধন করা হয়। শনিবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর কেআইবি কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান আযোজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলোহা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলী হায়দার চৌধুরী, চেয়ারম্যান সাইফুল করিম এবং ডিরেক্টর মো. শামসুদ্দিন টিপু। এছাড়াও অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংবাদিক ও রেজিষ্ট্রেশনকৃত অতিথিসহ প্রায় ৯০০জন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। এরপর সবাইকে স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রথমপর্ব ‘চীন-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান’। এই পর্বে চীন ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও শিক্ষামূলক প্রেজেনন্টেশন প্রদান করে।
দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন আলোহা ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক মিস কিরণ মাতওয়ানি। তিনি বলেন, ‘আলোহা বাংলাদেশ প্রায় দুই দশক ধরে শিশুদের মস্তিস্ক মানোন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে মেন্টাল এ্যারিথমেটিক কোর্সের মাধ্যমে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আরও একটি নতুন কোর্সের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। এ কোর্সটি দীর্ঘ গবেষণার ফসল এবং আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয় হলো সারা বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম এই কোর্সের ব্যাচ শুরু হচ্ছে’। তিনি এই কোর্সেরমাধ্যমে শিশুর বুদ্ধিদীপ্ত বিকাশ ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
এরপর আলোহা বাংলাদেশের নতুন কোর্স ‘আলোহাজিওমেট্রিল্যান্ডের’ উদ্বোধন করা হয়। এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে আলোহাজিওমেট্রিল্যান্ডের লোগো উন্মোচিত হয়। উদ্বোধন করেন আলোহাজিওমেট্রি ল্যান্ডের ফাউন্ডার মি. গুওলিং ঝো এবং আলোহা ইন্টারনশেনালের ফাউন্ডার এণ্ড চেয়ারম্যান মি. লোহ্মুনসাঙ। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে কোর্স সর্ম্পেকে উপস্থিত দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়।
শেষ পর্বে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
সংস্থাটি প্রতিনিধিরা বলেন, আলোহাজিওমেট্রি ল্যাণ্ড কোন একাডেমিক শিক্ষা নয় এটি একটি ১২ পর্বের খেলা। যা একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে দিয়ে পরিচালিত হয়। খুবই আনন্দের সঙ্গে শিশুরা তাদের দক্ষতার বিকাশ ঘটায়। তিনমাসের এই কোর্সটি ৩- ৭ বছরের শিশুদের জন্য তৈরী করা হয়েছে।
কোর্সটিতে যে সব দক্ষতাগুলোর বিকাশ ঘটায়-
১। শিশু তার খেলার ভিতর দিয়ে তার আশেপাশের জগতকে পর্যবেক্ষণ করতে শিখে।
২। তার কল্পনার জগতের বিকাশ ঘটে এবং উন্মুক্ত হয় তার চিন্তার দিগন্ত।
৩। খেলার ছলে তার গনিত দক্ষতার উন্নতি হয় এবং নির্দেশিত গেইম প্ল্যান যুক্তি চিন্তার বিকাশ ঘটায়।
৪। বিকশিত হবে শিশুর শিল্প দক্ষতা এবং সমৃদ্ধ হবে তার মানসিক অভিজ্ঞতা।
৫। পরিচয় ঘটবে তার বিভিন্ন রং, আকার, আকৃতি ও এর প্যটার্নের সঙ্গে এবং সে তুলনা করতে শিখবে।
৬। সে শিখবে কিভাবে শ্রেণীকরণ করতে হয় বা অনুক্রম অনুযায়ী সাজাতে হয়, পাশাপাশি তার ভিতর তৈরি হবে বিচার বিশ্লেষন
৭। যুক্তি করার ক্ষমতা।
৮। শিশুর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকাশ ঘটাবে।
৯। খেলাতে দলবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে যোগাযোগ দক্ষতা তৈরি হবে