১৮ দিনেও ধরা পড়েনি ধর্ষক মোহন

নওগাঁর রাণীনগরে ১৩ বছরের এক শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ করার ঘটনায় মামলার ১৮দিন অতিবাহিত হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে ধর্ষক মোহন আলী। ধর্ষণ মামলার প্রধান এই আসামিকে আজও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই কতিপয় প্রভাবশালী মোড়ল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলো। এখন মামলার পর আসামিদের বাঁচানোর জন্য তারা দেনদরবার-তদবির করেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামে। মামলা ও ভুক্তভোগীর পারিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামের অটোভ্যান চালক আজিজার রহমানের কলেজ পড়ুয়া ছেলে মোহন আলী (২৩) পাশের একটি গ্রামের জনৈক ব্যক্তির স্কুল পড়ুয়া ৭ম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে মোহন আলী গত ৭জুন সুকৌশলে প্রেমিকাকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়। এ সময় বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরার মধ্যে বেশ কয়েকবার মোহন মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। তারপর বিয়ে না করে ২দিন পর প্রেমিকাকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

ঘটনা জানাজনি হলে এলাকার কতিপয় মোড়ল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে তৎপর হয়ে ওঠে। সময় অতিবাহিত করার কৌশল হিসেবে দেনদরবার চালিয়ে যেতে থাকে। উপায় না পেয়ে ঘটনার শিকার ওই ছাত্রীর মা থানার আশ্রয় নিয়ে ধর্ষক মোহনসহ আরো ৫/৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৬, তাং ২৪/০৬/১৯ ধারা-৭/৯(১)৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন।

এ বিষয়ে ধর্ষিতার বড় ভাই মিঠু বলেন, মামলা করে প্রায় ১৮দিন পার হচ্ছে। আসামিরা পলাতক থাকার কারণে পুলিশ এখনও কাউকে আটক করতে পারেনি। আমরা চাই আসামিদের দ্রুত আটক করে কঠিন শাস্তির আওতায় আনা হোক।

আরও পড়ুন: রাতে মুষলধারে বৃষ্টিতে তড়িঘড়ি স্কুলের ছাদ ঢালাই শেষ!

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরির্দশক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মূল আসামি মোহনসহ সবাই পলাতক। তাদের বাড়িতে বর্তমানে তালা ঝুলছে। তবে সবাইকে গ্রেফতারের জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

ইত্তেফাক/নূহু