রাজধানী ঢাকার দক্ষিণখান থানা এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- বোরহান উদ্দিন ও লুৎফর রহমান সানি। তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে রাজধানীর ধানমন্ডি ও যাত্রাবাড়ী থানায় তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলাও রয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে বোরহান উদ্দিন ও লুৎফর রহমান সানির নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর ক্যাম্পাসে হামলা চালায়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্মকর্তা মনির ও হাবিবুরসহ প্রায় ২০ জন আহত হন। এ সময় ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মকর্তারা হামলকারীদের ধাওয়া দেয়। একইসঙ্গে তারা বোরহান ও সানিকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে যৌথবাহিনীর সদস্যরা তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
দক্ষিণখান থানার ওসি তাইফুর রহমান জানান, বোরহান উদ্দিন ও লুৎফর রহমান সানির বিরুদ্ধে নতুন করে একটি মামলা দায়ের করেছে নর্দান ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
নর্দান ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানায়, এর আগেও এই চক্রটি গত ২৬ আগস্ট কিছু বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে নর্দান ইউনিভার্সিটির করপোরেট অফিসে হামলা চালিয়েছিল। সে সময় করপোরেট অফিসে বেশ কয়েকজন নারী কর্মচারীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টাও করে তারা।
তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নর্দান ইউনিভার্সিটির দখল ও আধিপত্য নিয়ে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এই হামলার ঘটনা ঘটে।