মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রায়ই উঠে আসছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর বাংলাদেশের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার দেশটি বলছে, বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও যেকোনো হামলার জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) ওয়াশিংটনে নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। পরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে তার বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
ব্রিফিংয়ে প্রশ্নকর্তা বলেন, সম্প্রতি ভারতের একটি ছোট সফর থেকে ফিরেছি। সেখানে আমি দেখেছি, ভারতের সকল মানুষ আলোচনা করছেন- বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে এবং এমন কিছু ঘটনা আমেরিকা ও কানাডাতেও ঘটেছে। আমার প্রশ্ন হল- ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারে বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে নির্যাতন সম্পর্কে কথা বলেছেন। তাই যুক্তরাষ্ট্র এই নির্যাতনগুলির বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিশেষত বাংলাদেশের হিন্দুদের বিরুদ্ধে চলমান আক্রমণ সম্পর্কে? কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস বলেছেন, যদি এই আক্রমণগুলি অব্যাহত থাকে, তাহলে তিনি পদত্যাগ করবেন। কিন্তু আক্রমণগুলি এখনো চলমান এবং তিনি এখনও প্রধান উপদেষ্টার পদে আছেন।
জবাবে মিলারা বলেন, আমরা এ বিষয়ে অতীতে আলোচনা করেছি। বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনায় স্পষ্টভাবে বলেছি, আমরা ধর্মীয় স্বাধীনতায় সম্মান প্রদর্শন দেখতে চাই। এছাড়াও যে কোনও আক্রমণের জন্য আইনের আওতায় এনে দায়ীদের যথাযথভাবে বিচার করা হোক। এটি বাংলাদেশে আমাদের অবস্থান এবং বিশ্বের যেকোনো জায়গায় আমাদের অবস্থান একই।