প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ৭ নভেম্বর ইত্তেফাক অনলাইনে ‘কোল পাওয়ারের এমডির পদত্যাগ ও মেঘনার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের দাবি’ - শিরোনাম শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত সংবাদটির বিষয়ে ‘কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড’ প্রতিবাদ/ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে।

কোম্পানি সচিব কাজী মো: মেরাজ হোসেনের সই করা প্রতিবাদ/ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কোল পাওয়ারের এমডির পদত্যাগ ও মেঘনার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের দাবি’ শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের অভিযোগসমূহ অসত্য, বানোয়াট এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম ক্ষুণ্নকারী। প্রকাশিত সংবাদের কারণে স্বচ্ছতার সঙ্গে কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নিয়োজিত রাষ্ট্রমালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জনমনে সৃষ্ট ভুল বুঝাবুঝি দূরীকরণে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল) এর ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:

১. বর্ণিত সংবাদের অনুচ্ছেদ ১ থেকে অনুচ্ছেদ ৫ এ প্রকাশিত লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, “মেঘনা গ্রুপের কোম্পানি ইউনিক সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড এবং ভারতের আদিত্য বিড়লা গ্লোবাল ট্রেডিং কোম্পানি পিটিইর (সিঙ্গাপুরের রেজিস্টার্ড) কনসোর্টিয়ামকে ৩৫ লাখ মেট্রিক টন কয়লা সরবরাহের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানকে বাজারমূল্যের চেয়ে বাড়তি দরে কয়লা কেনার কার্যাদেশ দেওয়ায় এক বছরে সরকারের গচ্চা যাবে ৯১৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এর দায় কোল পাওয়ার জেনারেশনের এমডি নাজমুল হকের। মেঘনা গ্রুপ এবং ভারতীয় কোম্পানির সঙ্গে অসম চুক্তি বাতিল এবং কোল পাওয়ারের এমডির পদত্যাগের দাবিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা মানববন্ধনে মিলিত হয়েছে। মানববন্ধনে আরও বলা হয়, কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য কয়লা কেনার লক্ষ্যে দরপত্র দলিলসমূহ মূল্যায়নের জন্য কোল পাওয়ারের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নাজমুল হককে আহ্বায়ক করে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি মেঘনা গ্রুপ ও আদিতা বিড়লার প্রস্তাবিত দর মূল্যায়ন করে বর্তমান বাজারদর থেকে অনেক বেশি বলে (প্রস্তাবিত দর গ্রহণযোগ্য নয়) বোর্ডের কাছে সুপারিশ করেন। পরবর্তীতে মূল্যায়ন কমিটিকে ফ্যাসিবাদী সরকারের বোর্ড কর্তৃক প্রস্তাবিত দর্পণ মূল্যায়ন করতে বলা হলে কমিটি একই রিপোর্ট সুপারিশ করেন।” উল্লেখিত অভিযোগ সমূহ সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং অসত্য। প্রকৃত ঘটনা হলো এই যে, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ পূর্বক আন্তর্জাতিক দরপত্র (OTM) আহ্বান করে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং পরবর্তীতে মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন 8664/2024 এর রায়ের নির্দেশনা মোতাবেক কয়লা চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে। এমতাবস্থায় এ ধরনের অসত্য, বানোয়াট এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম ক্ষুণ্নকারী প্রতিবেদন উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

২. উক্ত প্রতিবেদনের অনুচ্ছেদ ৬-তে সিপিজিসিবিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব প্রদানের বিষয়ে কতিপয় মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করা হয়। আবার উক্ত অভিযোগে সিপিজিসিবিএল এর পরিচালক পর্ষদের গঠন নিয়ে কতিপয় মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হয়। প্রকৃত ঘটনা হলো কোম্পানির আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশনের নিয়ম অনুসরণ পূর্বক যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালকের হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এবং সিপিজিসিবিএল এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করার অনেক পূর্বেই রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত পরিচালকগণকে বিদ্যুৎ বিভাগ হতে অব্যাহতি প্রদান করা হয় এবং দুইজন পরিচালক নিজ হতে পদত্যাগ করেন।