ইলেকট্রিক গাড়ির সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে আগাচ্ছে বাংলাদেশ, আছে প্রতিবন্ধকতাও

জ্বালানি তেলে গাড়ি চালানোর দিন কি ফুরিয়ে আসছে? বিশ্বব্যাপী ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার যে হারে বাড়ছে, তাতে ‘হ্যাঁ’  বলতেই হবে! কিন্তু বাংলাদেশে এখনো এই গাড়ির ব্যবহার খুবই কম। তবে ইতিবাচক ব্যাপার হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইলেকট্রিক পরিবহণের মাধ্যমে টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে আগাচ্ছে বাংলাদেশ।

গত ৭, ৮ ও ৯ নভেম্বর রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবিতে) ইলেকট্রিক গাড়ি, বাইক, স্কুটার, গ্রিন প্রযুক্তিসহ মেডিকেল প্রযুক্তির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রদর্শনী ইলেকট্রিক পরিবহন উৎপাদন খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা জানান দিয়েছে; সেই সঙ্গে মানুষের আগ্রহও দেখা গেছে প্রবল।

মেলায় বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক গাড়ি ও বাইকের ব্যবসা সংশ্লিষ্ট ৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের ১২০টি স্টলে গাড়ি প্রদর্শিত হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে নজর কেড়েছে চীনের শীর্ষস্থানীয় বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি। তারা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও নিরাপত্তার সুবিধা সম্বলিত একাধিক মডেলের গাড়ি প্রদর্শন করে।

বিওয়াইডি’র অফলাইন মার্কেটিং লিড নাকিবুল খান ইত্তেফাককে বলেন, প্রদর্শনীতে আসা দর্শনার্থীদের কাছে আমরা বেশ ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। বর্তমানে বিশ্বে দূষণে এগিয়ে থাকা শহর ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার শুরু করা জরুরি। উন্নত দেশগুলোতে ২০৩৫ সালের পর জ্বালানি তেলে আর কেউ গাড়ি চালাবে না বলেই ধরে নেয়া হচ্ছে। তাই বাংলাদেশও পিছিয়ে থাকবে না; এই যাত্রায় বিওয়াইডি প্রথম সারিতেই থাকবে।

দেশের বাজারে বিক্রির ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে উল্লেখ করে এই ব্যাপারে তিনি সরকারের নীতি-নির্ধারণী মহলের সহায়তা কামনা করেন।

বিওয়াইডি ছাড়াও মেলায় অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- আকিজ মোটর, ফরচুনা মোটরস, অ্যাডভান্স ডাইনামিক, এসিই অটোমোবাইলের হাভাল, সালিডা ইলেকট্রনিক ভ্যাহিক্যাল, প্রাণ আরএফএল মোটর্স ইত্যাদি। প্রদর্শনীতে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ইলেকট্রিক গাড়ি, বাইক, স্কুটার, চার্জিং সলিউশন, স্মার্ট মোবিলিটি, এনার্জি স্টোরেজ, ব্যাটারি প্রযুক্তি, গ্রিন প্রযুক্তি ছিল।