কুমারখালীতে যাত্রা বিরতির দাবিতে ট্রেন থামিয়ে বিক্ষোভ, আল্টিমেটাম

কুষ্টিয়ার কুমারখালী রেলস্টেশনে যাত্রা বিরতির দাবিতে ট্রেন থামিয়ে বিক্ষোভ করেছে জনতা। এ সময় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যাত্রা বিরতির দাবিতে আল্টিমেটাম দেন তারা। পরে কুমারখালী স্টেশন মাস্টার এসে আশ্বস্ত করলে বিক্ষোভ বন্ধ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিট থেকে ৩২ মিনিট পর্যন্ত কুমারখালী রেলস্টেশনে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন থামিয়ে কর্মসূচি পালন করেন তারা। 

সমাবেশে বক্তারা জানান, কুমারখালী শিল্প প্রসিদ্ধ এবং পর্যটন এলাকা। এখানকার তাঁত ও বস্ত্র শিল্প জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রসিদ্ধ। এখানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি, বাউল সম্রাট লালন শাহের জন্ম ও আখড়াবাড়ী, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বাসতভিটা ও মিউজিয়াম, গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের বাড়ি ও মিউজিয়াম, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বীরসেনা বাঘা যতীনের জন্মভিটাসহ আরও অনেক প্রথিতযশা কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, লেখক, শিল্পী, রাজনীতিবিদদের বাড়ি।

বক্তারা আরও বলেন, এখানে ব্যবসায়িক কারণে ও পর্যটক হিসেবে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মানুষ আসা-যাওয়া করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় যাতায়াতের কোনো সুব্যবস্থা নাই। অনেক মানুষ যাতায়াতের জন্য দুর্ভোগের স্বীকার হয়। সে কারণে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৭২৫-৭২৬ এবং বেনাপোল এক্সপ্রেস ৭৯৫-৭৯৬, ট্রেন ২টি কুমারখালী স্টেশনে যাত্রা বিরতি হওয়া আবশ্যক।

কুমারখালী রেল স্টেশন মাস্টার শফিকুল ইসলাম বলেন, যাত্রা বিরতির দাবিতে বিক্ষোভকারীরা একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন। তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হবে। নির্দেশনা পেলে যাত্রা বিরতি চালু করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।