ভোলার লালমোহনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকাল থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত উপজেলার দেবীরচর বাজারে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে আটজনকে লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া কামাল ও শাওন নামের দুইজনকে প্রথমে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেলে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাদেরকে ঢাকায় প্রেরণ করেন।
উপজেলার বদরপুর ইউনিয়ন (উত্তর) বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক নেছারুল্লাহ জানান, দেবীরচর এলাকার সাবেক বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কামাল সুইচ ও বিএনপি নেতা সিরাজ হাওলাদারের নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক ক্যাডার পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন (উত্তর) বিএনপির সভাপতি শহিদুল্লাহ মেলকারের লোকজনের উপর সকাল থেকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় হামলা করা হয়। এতে শহিদুল্লাহ মেলকারের ছেলে কামাল ও নাতি শাওন ধারালো অস্ত্রের কোপে মারাত্মক জখম হন। এছাড়া শহিদুল্লাহ মেলকারের গ্রুপের মান্নান, লোকমান, তৈয়ব ও মাসুদসহ আরও বেশ কয়েকজন জখম হয়।
অপরদিকে ইউনিয়ন বিএনপির’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল সুইচ জানান, গত ৫ আগস্টের পর থেকে দেবীরচর বাজারের দখল নিতে শহিদুল্লাহ মেলকারের নেতৃত্বে প্রতিদিনই বাজারের মহড়া দেয়া হয়। এতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করায় হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ এখনও অভিযোগ দেয়নি। পরবর্তী সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।