মহেশখালীতে এক নারী ধর্ষণের ঘটনায় ৬দিন পর ধর্ষক মনু মিয়াসহ ২ মেম্বার আটক হয়েছে। আটককৃতদের মহেশখালী জেল হাজতে পাঠিয়েছে মহেশখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
গত ৬ জুলাই চট্টগ্রাম থেকে মহেশখালী মাতারবাড়ি গ্রামের বাড়ি আসছিলেন এক নারী। আসার পথে সন্ধ্যা ৭টার দিকে চালিয়াতলী স্টেশনে মাতারবাড়ির সড়কে সিএনজির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় কয়েকজন সিএনজি চালক ঐ নারীকে ফুসলিয়ে পাশের পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। ৭ জুলাই থেকে এ ঘটনাটি ধামা চাপা দিতে কালারমার ছড়ার ২জন মেম্বার দফায় দফায় আপোষ রফার চেষ্টা করে। এ ঘটনাটি ১১ জুলাই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযযোগ মাধ্যম ও অনলাইনে সংবাদ প্রচার হলে মহেশখালী থানার ওসির নজরে আসে। ১২ জুলাই সন্ধ্যায় মহেশখালী থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর ধর্ষিত মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসলে ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ পায়। তার লিখিত এজাহার ০৮/নং মামলা হিসাবে রুজু করে। ঐ দিন রাতে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণকাজে জড়িত মনু মিয়া (৩২) ও ঘটনায় আপোষ চেষ্টাকারী স্থানীয় কালারমারছড়া ইউনিয়নের মেম্বার লেয়াকত আলী ও মহিলা মেম্বার খাদিজা খানমকে আটক করে গ্রেফতারকৃতদের ১৩ জুলাই মহেশখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী আইও ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জামিরু ইসলাম জানান, মহেশখালী থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধরকে অবহিত করা হলে তারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।এ মামলায় ২ মেম্বারসহ অপরাপর ধর্ষণকারীরা হলো- ওসমানগণী, শাহা আলম, আদালত খানঁ। তারা সকলেই চালিয়াতলীর বাসিন্দা।
ইত্তেফাক/এমআই