রাতে দেরিতে ঘুমানোর অপকারিতা

আধুনিক সমাজে দিনদিন মানুষের ব্যস্ততা বেড়েই চলেছে। কর্ম ব্যস্ততার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে অনেকেই রাতে দেরি করে ঘুমান। কিন্তু রাতে দেরি করে ঘুমাতে যাওয়া যাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, তারা স্বাভাবিক ভাবেই কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগে থাকেন।

যুক্তরাজ্যের পাঁচ লাখ মানুষের উপর পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা ব্যক্তিদের চেয়ে দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া ব্যক্তিদের অকালে মৃত্যুর আশঙ্কা ১০ শতাংশ বেশি। দেরিতে ঘুম থেকে উঠলে সারা দিনের কাজ রিলাক্স মুডে করা যায় না, মেজাজ খিটখিটে থাকে। পাশাপাশি রাত জাগার ফলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা (যেমন- ব্রন, মেসতা, ত্বকের বিভিন্ন স্থানের রং পরিবর্তন), চোখের নিচে কালো দাগ, চুল পড়া ইত্যাদি বেড়ে যায়। রাতে দেরিতে ঘুমিয়ে সকালে তাড়াতাড়ি উঠলেও রাতের ঘুম পরিপূর্ণ হয় না। ফলে এভাবে সব সময় চলতে থাকলে ছোট ছোট শারীরিক সমস্যা থেকে বড় শারীরিক সমস্যাও সৃষ্টি হতে পারে।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হূদরোগ, মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া বড়দের দেরিতে ঘুমাতে দেখলে ছোটদের মধ্যেও এই অভ্যাস তৈরি হতে পারে। শিশুদের জন্যও পর্যাপ্ত পরিমাণের ঘুম জরুরি। যদি শিশুরাও দেরিতে ঘুমায় তাদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। তাই দেরিতে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।

লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ