দাফনের প্রায় পাঁচ মাস পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত দুই তরুণের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) পাবনার সাঁথিয়ায় এবং ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা এলাকায় পৃথকভাবে এ লাশ দুটি উত্তোলন করা হয়।
নিহত ওই দুই তরুণ হলেন- সাভারের পলাশবাড়ি জে.এল মডেল স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজে ১০ শ্রেণির ছাত্র জুলকার নাইন এবং ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ছোটপাতা গ্রামের লালমিয়ার ছেলে ইয়াসিন।
এদের মধ্যে, ইয়াসিন আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জে গুলিতে নিহত হন। পরে গ্রামের বাড়ি ভোলায় তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন ইয়াসিনের ভাই। সবশেষ ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি উত্তোলনের আদেশ দেন আদালত।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘মামলা তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে ময়না তদন্তের জন্য ইয়াসিনের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।’
অন্যদিকে, জুলকার নাইন গত ৫ আগস্ট সাভার আশুলিয়া থানার বাইপাইল পলাশবাড়ীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পরে ৬ আগস্ট সকালে জুলকার নাইনকে তার গ্রামের বাড়ি সাঁথিয়া উপজেলার স্বরপ গ্রামের জোড়গাছা কবরস্থানে দাফন করা হয়।
লাশ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাঁথিয়া থানার ওসি সাইদুর রহমান বলেন, ‘আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট সাভারে গুলিবিদ্ধ হন জুলকার নাইন। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা হয়। আদালতের নির্দেশে ওই মামলার তদন্তের জন্য জুলকারের লাশ উত্তোলন করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’