নামেই ফোর লেন, বাঘা-চারঘাটের পথে পথে দুর্ভোগ

রাজশাহীর বানেশ্বর থেকে চারঘাট-বাঘা ও লালপুর উপজেলা হয়ে ঈশ্বরদী পর্যন্ত চালু হয়েছে ফোর লেন হাইওয়ে সড়ক। প্রায় এক বছর আগে এই সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে চারঘাট এবং বাঘা উপজেলা সদরের বাসিন্দারা পড়েছেন ভয়াবহ যানজটের কবলে। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানান, এ উপজেলার সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী ও পুরাতন হাটের নাম হলো বাঘার হাট। হাটটি প্রাচীন আমল থেকে চলছে। বর্তমানে এক বছরের জন্য প্রায় এক কোটি টাকা  ইজারা সম্পন্ন হয়ে থাকে বাঘার হাট। এ হাটে রয়েছে পৌরসভা থেকে পৌর মার্কেট। সেখানেও ব্যবসায়ীরা বিপুল ভাড়া গুণে থাকেন। তবে সেই তুলনায় হাটের বিশেষ উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

তারা বলছেন, এখানে সপ্তাহে রবি ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। এই হাটের দিন সড়কে চলাচলে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ। জায়গা স্বল্পতার কারণে হাটের দুই ধারে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বসেন। এতে ভারী কোনো যানবাহন এলে যানজটের সৃষ্টি হয়। পাঁচ মিনিটের রাস্তা পার হতে কখনো কখনো এক থেকে দুই ঘণ্টা সময় লেগে যায়। একইভাবে পাশের উপজেলা চারঘাট সদরেও নেমে এসেছে দুর্ভোগ। এই দুই উপজেলার বাজারগুলো জমি অধিগ্রহণ জটিলতা শেষ হলেই যানজট কিছুটা কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

বাঘা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন জানান, আমরা গত এক বছর যাবত একটা সুন্দর রাস্তা পেয়েছি। এই রাস্তাটি হওয়ার কারণে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থেকে বিভাগীয় শহর রাজশাহী যাতায়াতের জন্য খুবই সহজ  হয়েছে। কিন্তু মাঝখানে দুই বাজারের জমি অধিগ্রহণ না করার কারণে যানজট কমছে না। ফলে সাধারণ পথচারীসহ স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তীব্র যানজটের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন এখানকার বাসিন্দারা। 

বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মি আক্তার বলেন, আমার জানা মতে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সড়ক প্রশস্ত করার জন্য গত একমাস আগ থেকে জমি অধিগ্রহণ কাজ চলমান আছে। এটি শেষ হলেই ঠিাকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন। তখন আর কোনো যানজট থাকবে না।