মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে দেওয়া তালা প্রায় ১৯ ঘণ্টা পর খোলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জোরারগঞ্জ বাজারে গিয়ে ৬টি দোকান ও জামায়াতের ইউনিয়ন কার্যায়ের তালা খুলে দেন।
এ বিষয়ে জানতে জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মাসুকুল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য জানা যায়নি।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান বলেন, সোমবার দুপুরে জোরারগঞ্জ বাজারে বিএনপি ও জামায়াতের দুই পক্ষের মধ্যে যে ঘটনা ঘটেছে, তা দুঃখজনক। আমি এলাকায় থাকলে এটি হতে দিতাম না। এ ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যায় বিএনপির অতি উৎসাহী কিছু লোক জামায়াত সমর্থিত ব্যবসায়ীদের কয়েকটি দোকানে তালা দিয়েছেন। যারাই এ কাজ করেছে, তারা মোটেও ঠিক করেনি। আমি মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে বাজারে গিয়ে দোকানগুলোর তালা খুলে দিয়েছি।
এর আগে গত সোমবার চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিজ্ঞানাগার নিমার্ণের বালু সরবরাহ নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়। সেই ঘটনার জের ধরে সোমবার সন্ধ্যায় জোরারগঞ্জ বাজারে জামায়াতে দলীয় কার্যালয় এবং জামায়াত সমর্থিত ৬ ব্যবসায়ীর দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
জোরারগঞ্জ থানার ওসি এটিএম সিফাতুল মাজদার বলেন, সোমবার দুপুরে জোরারগঞ্জ বাজারে সংঘর্ষ ও সন্ধ্যায় বাজারের জামায়াত সমর্থিত ব্যবসায়ীদের দোকানে তালা দেওয়ার বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।