ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠনে আহ্বায়কের নাম প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের মধ্যে ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন। ভাঙচুর করা হয়েছে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর।
রোববার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার নাদপাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নাদপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। কমিটির আহ্বায়ক প্রার্থী ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মতিয়ার রহমান ও স্থানীয় বিএনপি নেতা নওশের আলির মেয়ে নুরজাহান বেগম। কোনো সমঝোতা না হওয়ায় তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে উভয় পক্ষের তিন জন করে নাম পাঠান। দুপুরে মিটিং চলাকালে নাম প্রস্তাব নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এক পর্যায়ে স্কুল থেকে বের হয়ে এসে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাট। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। চারটি বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।