টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ৩

কক্সবাজারে টেকনাফের নয়াপাড়ার মোচনী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে আগুনে প্রায় দেড় শতাধিক বসতঘর-দোকান পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে এক শিশু নিহত হয়েছে। তাৎক্ষণিক শিশুটির পরিচয় জানা যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ১১ টার দিকে মোচনী ২৬ নম্বর ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫ জন আহত এবং ৩ জন নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। আশ্রয়শিবির পুড়ে ঘরহারা হয়েছেন অনেকেই।

নয়াপাড়া মোচনী ২৬ নম্বর ক্যাম্পের মাঝি বদরুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করে বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে ক্যাম্পের জি ব্লকে আগুন লাগে। তখন আমরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। একটি ঘরের ভেতরে একটি শিশু পুড়ে মারা যায়। ক্যাম্প থেকে ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, যারা ঘরবাড়ি হারিয়েছেন তাদের বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহযোগিতায় পার্শ্ববর্তী রোহিঙ্গা শিবিরগুলোর মসজিদ, মাদ্রাসা ও স্কুলসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দলনেতা মুকুল কুমার নাথ বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুইটি ইউনিট অংশ নেয়। তবে তারা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয় রোহিঙ্গা ও এপিবিএন সদস্যদের চেষ্টায় আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। পুড়ে যাওয়ার শিশুর মরদেহ এপিবিএন পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।