ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দেইফের নিহত হওয়ার খবর আগেই জানিয়েছিল ইসরায়েল। এবার হামাসের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, দেইফ নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর ভাষ্য,গত ১৩ জুলাই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার খান ইউনিস এলাকায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় মোহাম্মদ দেইফ নিহত হন। তখনই এ খবর প্রকাশ করেছিল ইসরায়েল। খবর বিবিসির।
এতদিন হামাসের পক্ষ থেকে দেইফের নিহত হওয়ার বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে হামাস দেইফের নিহতের খবর প্রথমবারের মতো নিশ্চিত করেছে।সেই সঙ্গে বিবৃতিতে হামাস জানায়, সংগঠনের সামরিক শাখার উপপ্রধান মারওয়ান ইশা নিহত হয়েছেন। যদিও এই কমান্ডারের নিহতের খবর যুক্তরাষ্ট্র গত বছরের মার্চে দিয়েছিল।
গাজায় হামাসের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় অসংখ্য টানেল বা সুড়ঙ্গ রয়েছে। এ নেটওয়ার্ক উন্নয়নে কাজ করেছেন দেইফ। এ ছাড়া তিনি হামাসের বোমা বানানোর প্রকল্পে ভূমিকা রেখেছেন। তবে সচরাচর প্রকাশ্যে আসতেন না দেইফ।কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় দেইফের নাম রয়েছে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে একাধিকবার হত্যাচেষ্টায় দেইফ একটি চোখ হারান। সেই সঙ্গে পায়ে গুরুতর আঘাত পান তিনি। ২০১৪ সালে ইসরায়েলের বিমান হামলায় দেইফের স্ত্রী, সাত মাসের পুত্রসন্তান ও তিন বছর বয়সী মেয়ের মৃত্যু হয়।