গাউসুল আজম মার্কেট দখলের অভিযোগ এনে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

রাজধানীর নিউ মার্কেট থানা এলাকার গাউসুল আজম সুপার মার্কেটের বেশ কয়েকটি দোকান দখল করে নিজেকে দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন কামাল হোসেন ওরফে চান্দু কামাল। ৫ আগস্টের পর ওই চাঁদাবাজ গ্রুপটি মার্কেট দখল করে দোকান প্রতি ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ ব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কেটের দোকান মালিক জালাল আহম্মদ জসিম এই অভিযোগ করেন। জালাল আহম্মদ জসিম নিউ মার্কেট থানা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কামাল হোসেনের ওই মার্কেটে কোনো দোকান নেই। এরপরও তিনি মার্কেট দখল করে নিজেকে গাউসুল আজম সুপার মার্কেট দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, তিনি ২০০৪ সাল থেকে গাউসুল আজম সুপার মার্কেটে রিয়া ট্রেডিং কর্পোরেশন নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে তিনি নিউ মার্কেট থানা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক। গত ৭ আগস্ট কিছু বহিরাগত লোক এসে বিভিন্ন দোকানে তালা দেয়। এর কিছুদিন পর কামাল ওরফে চান্দু কামাল অনেক বহিরাগত লোক সাথে নিয়ে এসে নিজেকে দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন। পরে কামাল তার নিজের দোকানসহ মোট ১৪টি দোকানের বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এ ব্যাপারে তিনি নিউমার্কেট থানা ও সমবায় অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন।

এই অভিযোগ দেওয়ার পর কামাল তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে লালবাগে তার বাসায় কামালের লোকজন হামলা চালায়। এ ব্যাপারে তিনি লালবাগ থানায় একটি অভিযোগ করেন। উপায় না পেয়ে তিনি ১৫ অক্টোবর কামালের পক্ষে মোহাম্মদ হোসেন মিথুন নামে এক ব্যক্তির কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দেন। পরে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এ অবস্থায় তিনি মার্কেটে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতে পারছেন না। থানায় দেয়া অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য হুমকি দেয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় তিনি ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য নিরাপত্তা দেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও ডিএমপি কমিশনারের প্রতি অনুরোধ করেন।