ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার সীমাখালীতে চিত্রা নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজটি তিন বছর যাবত ভেঙে পড়ে আছে। ব্রিজটি ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে দুইটি ১০ চাকার পাথর বোঝাই ট্রাকসহ তিনটি ভারী যানবাহনের চাপে ভেঙে পড়ে। পাশ দিয়ে বিকল্প বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও ভেঙে পড়া ব্রিজটি অপসারণ না করায় নদীর পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে।
জানা গেছে, জেলার শালিখা উপজেলার সীমাখালীতে চিত্রা নদীর ওপর লোহার বেইলি ব্রিজটি নির্মিত ছিল। যার ওপর দিয়ে সরাসরি মাগুরা-যশোর-খুলনা রোডের যানচলাচল করতো। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে ব্রিজটি ভেঙে পড়ার ঘটনায় দুইজন আহত হন। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল।
ব্রিজটি ভেঙে পড়ার ফলে ঢাকাসহ দেশের অন্য জেলার সঙ্গে যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, বেনাপোলগামী যানবাহনের চালকরা ঝিনাইদহ হয়ে অতিরিক্ত ৪০ কিলোমিটার বেশি পথ পাড়ি দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হয়। এ অবস্থায় সরসরি যানবাহন চলাচলের জন্য ৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যায়ে দুই লেনের বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে লোহার ব্রিজটি পানিতে পড়ে কয়েক কোটি টাকার সরকারী সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।
এদিকে নতুন বেইলি ব্রিজটি এত ছোট যে বাস ব্রিজের ওপর দিয়ে চললে মানুষ চলতে পারে না। ফলে মানুষের দূর্ভোগ চরমে।
আরও পড়ুন: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ওসি মোয়াজ্জেমের বিচার শুরু
শালিখা উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন বলেন, ‘ব্রিজটি ভেঙে পড়ে থাকায় নদীর পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। মূল্যবান সরকারী সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। বেইলি ব্রিজটি সংকীর্ণ হওয়ায় এখানে নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা দরকার।’
ইত্তেফাক/নূহু