ঝিনাইগাতীতে বাসে গৃহবধূ ধর্ষণচেষ্টা, হেলপার গ্রেফতার

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বাসে এক গৃহবধূ ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এ ঘটনায় জুলহাস (২০) নামে এক হেলপারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে জুলহাসকে গ্রেফতার করা হয়। জুলহাস শেরপুর জেলা সদরের বাসিন্দা।

জানা যায়, গত ৯ জুলাই রাতে ‘মমিন পাগলের দোয়া’ বাস নং মেট্রো-ব-১২০৪২১ গাড়িতে করে হামিদা খাতুন নামে এক গৃহবধূ গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। বাস ছাড়ার পর থেকে ওই বাসের ড্রাইভার ও হেলপাররা গৃহবধূ হামিদাকে উক্তত্য করতে থাকে। এক পর্যায়ে রাতে বাসের যাত্রীরা ঘুমিয়ে পড়ে। এ সময় হেলপাররা হামিদাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

এ সময় হামিদা কৌশলে ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেলেও শ্লীলতাহানির হাত থেকে রক্ষা পাননি। পরে এ অবস্থায় রাত ৩টার দিকে গাজীপুর গড়গড়ীয়া মাস্টার বাড়িতে হামিদা নেমে যান। জানা যায়, গার্মেন্টস কর্মী হামিদা স্বামীসহ মাস্টার বাড়িতে থাকে।ন হামিদার স্বামী খলিলুর রহমান ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের ভারুয়া গ্রামের বাসিন্দা। 

গত ৮ জুলাই হামিদা তার স্বামীকে রেখে নিজ এলাকায় আসেন ভোটার তালিকায় তার নাম অর্ন্তরভূক্তিকরণের উদ্দেশ্যে। ভোটার তালিকার কাজ সেরে ৯জুলাই রাত ১১টায় তার শশুর কলিম উদ্দিন ওই গাড়িতে উঠিয়ে দেন।

আরও পড়ুন: আলমডাঙ্গার ‘কষ্ট’ পৌরসভার ১২ সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

এ ঘটনায় গৃহবধূ হামিদার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেনের হস্থক্ষেপে মঙ্গলবার রাতে ওই হেলপারকে গ্রেফতার ও বাসটি থানায় নিয়ে আসা হয়। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অন্য আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু