নারায়ণঞ্জে বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা

নারায়ণঞ্জে উৎপল রায় (৬২) নামে এক বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যার পর বাসা থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের ঘটনা ঘটেছে। 

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর মডেল থানার কাছে সাহাপাড়া এলাকায় শংকর সাহার মালিকানাধীন সাত তলা ভবনের চতুর্থ তলার ফ্ল্যাটে ঐ ঘটনা ঘটে। 

ঐ ঘটনায় বাসা থাকা ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ দেড় লাখ টাকা খোয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরীর কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে ঐ ঘটনার সঙ্গে নিরাপত্তা প্রহরীর কোন যোগসাজশ রয়েছে।  

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
 
জেলার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) জামাল উদ্দীন বলেন, স্ত্রীর মৃত্যুর পর উৎপল রায় ওই ফ্ল্যাটে তার বড় ছেলের সঙ্গে থাকতেন। তার আরেক ছেলে প্রবাসী। বড় ছেলে ডাঃ উজ্জ্বল রায় সেভ দ্য চিলড্রেন নামে একটি এনজিও’র প্রকল্প পরিচালক।

সোমবার রাতে ছেলে উজ্জ্বল বাসায় ফিরে দরজা বন্ধ দেখেন। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে বাবার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। উৎপল রায়কে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। বাসায় থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারও নেই।

নিহতের ছেলে ডাঃ উজ্জ্বল রায় বলেন, তার বাবা অবসরে যাবার আগে স্থানীয় একটি আটা-ময়দার কারখানায় চাকরি করতেন। তিনি প্রতিদিন ঢাকায় কর্মস্থলে চলে যান। সারাদিন বাবা বাড়িতে একাই থাকেন। একজন নারী গৃহকর্মী বাসার কাজ করে দিয়ে যান। বাসার দারোয়ান টুকটাক কাজ করে দেন।

বাবা সাধারণত পরিচিত কোনো লোক ছাড়া বাসার দরজা খোলেন না। যিনি বা যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন তারা বাবার পরিচিত হবার সম্ভবনাই বেশি। ঘটনার পর ঘরে থাকা প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণ ও দেড় লাখ টাকাও নেই।