ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শামস্তা গ্রামে একটি গাছ কেটে বিক্রি নিয়ে বিরোধের জেরে জাফর আলি ( ৪৫ ) নামে এক ব্যক্তিকে পিটুনি দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাতে এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির পক্ষ থেকে নিহত ব্যক্তিকে তাদের কর্মী বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে এলাকায় মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
পুলিশ জানায়, নিহত জাফর আলির সঙ্গে একটি গাছ কেটে বিক্রি করা নিয়ে তার প্রতিবেশিদের বিরোধ ছিল। বেশ কিছু দিন আগে তিনি ঢাকাতে চলে যান। মাঝে মধ্যে বাড়ি আসতেন। কয়েকদিন আগে বাড়ি আসেন। বৃহস্পতিবার রাতে সালিশের নাম করে ডেকে নেওয়া হয় জাফর আলিকে। সালিশের এক পর্যায়ে জাফর আলিকে কিল ঘুষি মারতে থাকে প্রতিপক্ষের লোকজন। এতে ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসাপাতালের মর্গে পাঠায়।
মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমাস জিয়া জানান, নিহত জাফর আলি বিএনপির কর্মী ছিলেন। কাজীরবেড় ইউনিয়ন বিএনপির ৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সদস্য তিনি। একটি গাছ নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। সালিশের নাম করে বৃহস্পতিবার রাতে আমির মাতুব্বর, সজিব, তরিকুল, আব্বাস মাস্টার, জিয়া ডাক্তারসহ আরো ৮–৯ জন তাকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও কিল ঘুষি মেরে হত্যা করে।
ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি আব্দুল হাই বলেন, এ ঘটনা কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়। একটি গাছ নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে আসামীরা জামায়াতের সমর্থক। আসামী ও বাদী প্রতিবেশি।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ উদ্দিন মৃধা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতেই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মহেশপুর থানায় আনা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।