সব খবর সত্য নয় জানিয়ে শ্রাবণের পাশে দাঁড়ালেন ফাহমিদুল

বাংলাদেশ দলে ফাহমিদুল ইসলামের জায়গা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল সমর্থকরা। তাদের সন্দেহ ছিল, সিন্ডিকেটের কারণে বাদ পড়তে হয়েছে প্রবাসী এই ফুটবলারকে। যা নিয়ে গত কয়েকদিন বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচিও করতে দেখা যায় দেশের ফুটবল সমর্থকদের। এমনকি সমর্থকদের একটি অংশ সরাসরি আলোচনা করেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গেও।

এরই মাঝে দেশের একটি সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করে গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণে সঙ্গে ঝামেলার কারণেই দল থেকে বাদ পড়তে হয় ফাহমিদুলকে। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ‘ফাহামিদুল দলে যোগ দেওয়ার পর কোচের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। যেন রাজ্য জয় করে ফেলেছেন। অনুশীলনে কারিশমা দেখিয়েছেন ফাহামিদুল। এটাই ওর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। শুরু হয় সতীর্থদের অসহযোগিতা। গোলকিপার শ্রাবণ ফাহামিদুলকে বল দিচ্ছিলেন না। একবার-দুবার নয়, বেশ কয়েকবার এই ঘটনা ঘটে। মেজাজ হারিয়ে ফাহামিদুল কোচের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কৈফিয়ত চান, এই ধরনের আচরণ কেন? কাবরেরা কিছুই বলেননি। দু-এক কথায় কোচও মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত দল থেকে ফাহামিদুলের বিদায়ের মধ্য দিয়ে বিতর্কের অবসান ঘটে।’ 

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হন ভক্তরা। গোলরক্ষক শ্রাবণের সমালোচনার সঙ্গে কটাক্ষও করতে থাকেন তারা। এ বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন ফাহমিদুল। সব খবর সত্য নয় জানিয়ে শ্রাবণে পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। 

শুক্রবার (২১ মার্চ) ফেসবুক পোস্টে ফাহমিদুল লেখেন, 'আমি লক্ষ্য করেছি যে খেলার মাঠ থেকে কিছু অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কিছু খবর ছড়িয়ে পড়ছে। দুর্ভাগ্যবশত, বিভিন্ন ধরণের তথ্য প্রচার হচ্ছে, এবং সেগুলি সম্পূর্ণ সত্য নয়। খেলাধুলায়, ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে, তবে সেগুলি দলের মধ্যেই থাকা উচিত, কারণ প্রতিটি খেলোয়াড় খেলা এবং দেশের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ।' 

তিনি আরও লেখেন, 'মেহেদী হাসান শ্রাবণ দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা এবং কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। তিনি একজন পেশাদার ক্রীড়াবিদ যিনি সর্বদা দলের জন্য তার সেরাটা দিয়েছেন। কোনও খেলোয়াড়েরই কটাক্ষ বা হুমকি আশা করে না, বিশেষ করে ভক্তদের কাছ থেকে যারা তাদের প্রেরণার সবচেয়ে বড় উৎস হওয়া উচিত।'