যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় হামাসের ওপর চাপ বাড়ছে। এবার ফিলিস্তিনিরাই স্বাধীনতাকামী এই সংগঠনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন। শত শত ফিলিস্তিনি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।
গত ১৮ মার্চ থেকে নতুন করে ইসরাইলি হামলায় উতপ্ত গাজা। বিশেষত উত্তর গাজায় একের পর এক ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ইসরাইল ও হামাসের সংঘাতে নাভিশ্বাস উঠেছে গাজাবাসীর। নিজের বাড়িঘরও ধ্বংস হয়ে গেছে। ২১ লাখ মানুষকে বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছে । ২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম হামাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখা গেল।
এদিকে ২৪ ঘন্টায় ইসরাইলি হামলায় ৩৮ ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে । এছাড়া গত ১৮ মার্চ থেকে নতুন করে প্রায় দেড় লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত
হয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় হামাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের একাধিক ছবি ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা যায়নি। দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অধিকাংশই পুরুষ। তাদের মুখে স্লোগানের পাশাপাশি ছিল ব্যানারও । এতে লেখা ছিল 'যুদ্ধ বন্ধ করো, আমরা শান্তিতে থাকতে চাই'।
তারা হামাসের বিরুদ্ধেও বক্তব্য দেন। তারা হামাসকে চলে যেতেও বলেন। এর মধ্যে বেইত লাহিয়ার রাস্তায় বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করে দেয় হামাস । কালো কাপড়ে মুখ ঢেকে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালাতে দেখা যায় । বিক্ষোভে অনেকে আহত হয়েছেন। বিক্ষোভের আয়োজন কারা করেছে তা হয়তো অনেকেই জানে না। তবে তারাও শান্তির জন্য এই সংঘাত বন্ধ চান ।
এক বিক্ষোভকারী জানিয়েছেন, তিনি টেলিগ্রামে বার্তা দেখে বিক্ষোভে এসেছেন । কারা আয়োজন করেছেন তা তিনি জানেন না । তবে তিনিও যুদ্ধের সমাপ্তি চান। বিক্ষোভকারীদের দাবি, চলমান যুদ্ধপরিস্থিতিতে তারা ক্লান্ত । ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইল গাজায় হামলা শুরু করে। – এপি ও ডয়চেভেলে