প্রতিদিনই মনের কোণে উঁকি দেয় মন খারাপ করা নানা প্রশ্ন, নানা ভাবনা। কাউকে বলতে না পারা এই ভাবনাগুলো জমে জমে গড়ে ওঠে অপূর্ণতার পাহাড়। এমন নানা ভাবনার কথা আপনিও লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের এই নিয়মিত আয়োজনে।
ঠিকানা :বিভাগীয় সম্পাদক, তরুণকণ্ঠ, দৈনিক ইত্তেফাক, ৪০ কাওরানবাজার, ঢাকা-১২১৫
প্রশ্ন :আমি কলেজে পড়ছি। আমি আমার বাবা-মা ও পাঁচ ভাইবোনের পরিবারে সবার ছোট ছেলে। বড় ভাই-বোনের তুলনায় বয়স ও অন্যান্য কারণে বাবা-মায়ের সাথে আমার একটা দূরত্ব আছে। খুব সহজ বা সাবলীলভাবে তাদের সাথে কথা বলতে পারি না। আমার কোনো বদভ্যাস নেই। কিন্তু কলেজে আমার সহপাঠীদের অনেকে ধূমপান করে, নানারকম নেতিবাচক কাজ করে। আমার ধারণা, ইদানীং আমার বাবা-মাও আমার ব্যাপারে এমনটা সন্দেহ করছেন। অনেক ব্যাপারেই অকারণে কথা শুনতে হচ্ছে। এ অবস্থায় আমার করণীয় কী?
উত্তর :আমরা পারস্পরিক ভাব আদান-প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্কের বন্ধনকে সুদৃঢ় করি। কোনো কারণে এই আদানপ্রদানে বিচ্ছিন্নতা তৈরি হলেই সম্পর্কে জটিলতা দেখা দেয়। আর এই জটিলতাই পরবর্তীতে তৈরি করে সন্দেহসহ নানাবিধ সমস্যা। তাই সবার প্রথমেই যোগাযোগের বিচ্ছিন্নতা দূর করতে বাড়াতে হবে ভাবের আদানপ্রদান। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে খোলামেলা আলোচনার ক্ষেত্রে বয়সের ব্যবধান বড় কোনো বিষয় নয়, প্রয়োজন সমমানসিকতা সম্পন্ন মননের। আর বাবা-মা নিঃসন্দেহে সন্তানের শুভাকাঙ্ক্ষী। তাই ভালো হবে সরাসরি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে না গিয়ে তাদের সাথে সহজভাবে প্রতিদিনের কাজগুলো গল্পের ছলে শেয়ার করা। এতে তৈরি হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও আস্থা। কমে আসবে অবাঞ্ছনীয় ঘটনা।
রুদমিলা মাহবুব
প্রভাষক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়