মধ্যপ্রাচ্যে নিষিদ্ধ ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’, মর্মাহত জন আব্রাহাম

গত ১৪ মার্চ মুক্তি পেয়েছে জন আব্রাহাম অভিনীত এবং প্রযোজিত সিনেমা ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’। সিনেমাটি ইতিমধ্যেই ভারতবর্ষের মানুষের মন জয় করে ফেলেছে। মুক্তির পর থেকেই বেশ সাড়া ফেলে ভারতের বক্স অফিসে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সিনেমাটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। অভিযোগ ওঠে, ছবিটি উগ্রবাদী ও পাকিস্তান বিরোধী। নিষেধাজ্ঞার পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন জন আব্রাহাম।

জন আব্রাহাম বলেন, ‘এই ছবিটি কোনও জঙ্গিবাদের ওপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়নি। রীতেশ শাহ একটি অসাধারণ স্ক্রিপ্ট লিখেছেন। পরিচালক শিবম নায়ার এটি দারুণভাবে নির্মাণ করেছেন। এই সিনেমায় কোনও দেশকে ভালো দেখাতে গিয়ে অন্য কোনও দেশকে ছোট করা হয়নি।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেমাটি তৈরির আগে নির্মাতার সঙ্গে উগ্রবাদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন নায়ক। সিনেমাটি দেখে কেউ কষ্ট না পান- সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

জনের কথায়, ‘সিনেমাটি তৈরি করার আগে শিবম এবং আমি দুজনেই ঠিক করেছিলাম এটি কোনও উগ্রবাদী ছবি হবে না। আমরা খুব হালকা সীমারেখা তৈরি করেছিলাম যাতে এই সিনেমাটি দেখে কেউ কষ্ট না পান। প্রত্যেক দেশেই ভালো এবং খারাপ মানুষ থাকে, কিন্তু কোনও দেশকে এখানে ছোট করা হয়নি।’

মধ্যপ্রাচ্য সিনেমাটি নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে মর্মাহত জন। তিনি বলেন, ‘এটি কোনও পাকিস্তান বিরোধী সিনেমা নয়। এই সিনেমায় আমরা দেখিয়েছি পাকিস্তানের বিচার ব্যবস্থা কতটা সৎ। একজন সৎ পাকিস্তানি আইনজীবী এবং একজন সৎ পাকিস্তানি বিচারপতিকে আমরা দেখিয়েছি। শুধু তাই নয়, সীমান্তে টহলদারি পুলিশও সৎ ছিলেন এই সিনেমায়। যাদের দেখানো হয়েছে তারা সকলেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তাই এই সিনেমাটি নিয়ে আপত্তি তোলার কোনও কারণ নেই।’

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের ৪টি দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও কাতারে  ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ সিনেমাটি নিষিদ্ধ হয়েছে। এ খবরে জন বলেন, ‌‘আমি একজন ভালো গল্পের বাহক হতে চাই, যা মানুষের মনে অনেক দিন থেকে যাবে।  ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ তেমনই ভালো গল্পের একটি সিনেমা।’

‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ সিনেমার পোস্টার, (ডানে) জন আব্রাহাম। ছবি: সংগৃহীত

গত ১৪ মার্চ মুক্তি পেয়েছে জন আব্রাহাম অভিনীত এবং প্রযোজিত সিনেমা ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’। সিনেমাটি ইতিমধ্যেই ভারতবর্ষের মানুষের মন জয় করে ফেলেছে। মুক্তির পর থেকেই বেশ সাড়া ফেলে ভারতের বক্স অফিসে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সিনেমাটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। অভিযোগ ওঠে, ছবিটি উগ্রবাদী ও পাকিস্তান বিরোধী। নিষেধাজ্ঞার পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন জন আব্রাহাম।

জন আব্রাহাম বলেন, ‘এই ছবিটি কোনও জঙ্গিবাদের ওপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়নি। রীতেশ শাহ একটি অসাধারণ স্ক্রিপ্ট লিখেছেন। পরিচালক শিবম নায়ার এটি দারুণভাবে নির্মাণ করেছেন। এই সিনেমায় কোনও দেশকে ভালো দেখাতে গিয়ে অন্য কোনও দেশকে ছোট করা হয়নি।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেমাটি তৈরির আগে নির্মাতার সঙ্গে উগ্রবাদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন নায়ক। সিনেমাটি দেখে কেউ কষ্ট না পান- সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

জনের কথায়, ‘সিনেমাটি তৈরি করার আগে শিবম এবং আমি দুজনেই ঠিক করেছিলাম এটি কোনও উগ্রবাদী ছবি হবে না। আমরা খুব হালকা সীমারেখা তৈরি করেছিলাম যাতে এই সিনেমাটি দেখে কেউ কষ্ট না পান। প্রত্যেক দেশেই ভালো এবং খারাপ মানুষ থাকে, কিন্তু কোনও দেশকে এখানে ছোট করা হয়নি।’

মধ্যপ্রাচ্য সিনেমাটি নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে মর্মাহত জন। তিনি বলেন, ‘এটি কোনও পাকিস্তান বিরোধী সিনেমা নয়। এই সিনেমায় আমরা দেখিয়েছি পাকিস্তানের বিচার ব্যবস্থা কতটা সৎ। একজন সৎ পাকিস্তানি আইনজীবী এবং একজন সৎ পাকিস্তানি বিচারপতিকে আমরা দেখিয়েছি। শুধু তাই নয়, সীমান্তে টহলদারি পুলিশও সৎ ছিলেন এই সিনেমায়। যাদের দেখানো হয়েছে তারা সকলেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তাই এই সিনেমাটি নিয়ে আপত্তি তোলার কোনও কারণ নেই।’

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের ৪টি দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও কাতারে  ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ সিনেমাটি নিষিদ্ধ হয়েছে। এ খবরে জন বলেন, ‌‘আমি একজন ভালো গল্পের বাহক হতে চাই, যা মানুষের মনে অনেক দিন থেকে যাবে।  ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ তেমনই ভালো গল্পের একটি সিনেমা।’