বগুড়ার নন্দীগ্রাম থেকে ময়ূরী বেগম (৩২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সকালে নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার কলেজপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক।
নিহতের পিতা আনোয়ার হোসনে ও মাতা নূরজাহান বেগম মৃত্যুর ঘটনাটি হত্যার ঘটনা বলে দাবি করে বলেছে, 'আমার মেয়ে ময়ূরীকে মারপিট করে হত্যা করে বাড়ির পাশে বরইগাছের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। আমরা হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।'
নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আট বছর আগে নন্দীগ্রাম কলেজপাড়ার ওসমান গণির ছেলে মাসুদ রানা নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার বাসলিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে ময়ূরী বেগমকে বিবাহ করে করে। তাদের ঘরে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। সংসার জীবনে তাদের মাঝে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। এমতাবস্থায় রবিবার সকালে মাসুদ রানার বাড়ির পাশে বরইগাছের সঙ্গে গৃহবধূ ময়ূরী বেগমের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দেয়। এরপর পুলিশ ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশটি উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় পানি কমছে, দুর্ভোগ বেড়েছে
এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ কার হলে তিনি বলে,থানা পুলিশ বলেছে, 'এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই মর্মে আপাতত একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।'
ইত্তেফাক/নূহু