সাংবাদিকতা জগতে ও সমাজ সংস্কারকের ভূমিকায় যিনি অনস্বীকার্য। তিনি তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। ১ জুন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী।
মানিক মিয়ার ৫৬ তম মৃত্যু বার্ষিকীতে বরিশাল বিভাগ সমিতি রোববার (১ জুন) সকাল ১১ টায় তার মাজারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে।
পুষ্প স্তবক অর্পণ করেন স্বাধীনতা পুরষ্কারে ভূষিত সাবেক সচিব ও বরিশাল বিভাগ সমিতির সভাপতি ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, মানিক মিয়া পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল জলিল, নাজিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আমার পিরোজপুর পত্রিকার প্রকাশক কে এম সাঈদ, ন্যাপ বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মো. শহিদুন্নবী ডাবলু।
এছাড়াও বৃহত্তর লালবাগ থানা ঢাকার জাতীয় পার্টির (জেপি) সভাপতি মোহাম্মদ রাজেশ গনি, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তফা কামাল, বরিশাল বিভাগ সমিতির সদস্য মকিম হক ও শ্রমিক নেতা নাছির উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
পুষ্প স্তবক অর্পণ শেষে মানিক মিয়া ও ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনের মাজারে ফাতেহা পাঠ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৬৯ সালের ১ জুন ৫৮ বছর বয়সে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ক্ষণজন্মা এই সাংবাদিক। এ দেশে সাংবাদিকতা জগতে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া এক অবিস্মরণীয় নাম। গণমানুষের প্রতি ভালোবাসার কারণেই বাংলার মানুষের হৃদয়ে তিনি অবিনশ্বর হয়ে রয়েছেন। মানিক মিয়া প্রচলিত অর্থে শুধু একজন সাংবাদিক ছিলেন না। বরং এই অগ্রণী ব্যক্তিত্ব সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের মুক্তির পথ রচনার ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন নিঃশঙ্কচিত্তে।
দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাংবাদিকতাকে অবলম্বন করে আজীবন দৃঢ়চেতা, মননশীল এবং দেশপ্রেমিক মানিক মিয়া এ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে থেকেছেন। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি আমৃত্যু নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। সেজন্য তিনি বাংলার মানুষের কাছে ‘নির্ভীক সাংবাদিক’ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন।