দীর্ঘদিন পর আবারও হাওড়, চর এবং দ্বীপাঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য চালু হতে যাচ্ছে বন্ধ থাকা বিশেষ ভাতা। ২০২২ সাল থেকে স্থগিত থাকা এই ভাতা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, যা আগামী জুলাই মাস থেকেই কার্যকর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে এবং তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে পাঠানো হয়েছে। নতুন প্রজ্ঞাপনে উল্লেখযোগ্য একটি পরিবর্তন হলো— এখন থেকে হাওড়, চর বা দ্বীপ এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা শিক্ষকরা তাদের নিজ উপজেলায় কর্মরত থাকলেও এই বিশেষ ভাতা পাবেন। পূর্বে এই শর্তের কারণে অনেক শিক্ষক ভাতা থেকে বঞ্চিত হতেন।
প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। হাওড়-চর অঞ্চলের মধ্যে সম্ভাব্য এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে: সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, পটুয়াখালী, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও নোয়াখালীসহ আরও কয়েকটি উপজেলা।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের প্রায় ২৫টি উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওড় ও চর অঞ্চলে কয়েক হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে শিক্ষক নিয়োগ এবং তাঁদের ধরে রাখাই ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বিশেষ ভাতা চালুর ফলে এসব দুর্গম অঞ্চলে শিক্ষক সংকট কিছুটা হলেও কমবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নেও তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।