মানিকগঞ্জের ঘিওরে গোখাদ্য নেপিয়ার ঘাস খেতের ভেতরে চাষ হচ্ছে নিষিদ্ধ মাদক গাঁজা। সেই গাঁজা গাছ উদ্ধারে যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছে মানিকগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ঘিওর থানা পুলিশ। অভিযানে কয়েকটি গাঁজা গাছ উদ্ধার এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত গাঁজা চাষি মন্টু মিয়াকে।
গত সোমবার রাতে জেলার ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরি ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গী এলাকায় এ অভিযানে চালানো হয়।
অভিযানে গাঁজা গাছ উদ্ধার ও চাষিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গোয়ালডাঙ্গী এলাকায় জনবসতির পাশেই একটি চাষযোগ্য জমিতে ঘাস লাগানো হলেও তার মাঝে মাঝে গাঁজা গাছ রোপণ করা হয়েছে। জমিটির তিন পাশে বসতবাড়ি, আর উত্তর পাশে ধানখেত। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এমন খোলামেলা গাঁজা চাষের ফলে গ্রামের কিশোর-তরুণরা মাদকের দিকে ঝুঁকছে। করচাবাধা ও গোয়ালডাঙ্গী এলাকায় মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলেও জানান তারা।
স্থানীয়রা জানান, ওই জমিতে গাঁজা চাষ করছেন স্থানীয় মন্টু মিয়া, তার স্ত্রী বাতাসি বেগম ও ছেলে আশিক। জমিটির মালিক মৃত গিয়াস উদ্দিন। তার মৃত্যুর পর মন্টু সেটি বর্গাচাষের ভিত্তিতে ব্যবহার করছেন। নিয়মিত এসব গাঁজা গাছের পরিচর্যা করেন মন্টু মিয়া। তিনি প্রতিবছরই ঘাস খেতে গাঁজা চাষ করেন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। খেত
গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘দূর থেকে তাকালে আগাছা মনে হয়, কিন্তু কাছে গেলে দেখা যায় গাঁজার গাছ। দিনের বেলা কেউ কিছু বলে না। রাতে নাকি বাইরের লোকজন আসে গাছ দেখতে।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ঘিওর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে গোয়ালডাঙ্গী এলাকা থেকে দুইটি বড় গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে এবং গাঁজা চাষিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ঘিওর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।