জামালপুরে বন্যার পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। মৃত দুই শিশু হলো- মুখ শিমলা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে শারমিন আক্তার (১২) এবং সাপধরী ইউনিয়নের আকন্দপাড়া গ্রামের মোফাজ্জল আকন্দের ৩ বছরের শিশু কন্যা ময়ছন বেগম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাবধরী ইউপির চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বিএসসি।
এদিকে জামালপুরে বন্যার পানি ধীরগতিতে কমতে শুরু করায় সার্বিক বন্যার পরিস্থিতি কিছিুটা উন্নিতি হয়েছে। সোমবার যমুনার বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট পানি বিপদসীমার ৩৯ সেন্টিমিটার কমে যমুনায় পানি বিপদ সীমার ৬১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ১০ দিন ব্যাপি পানি বন্দি লাখ লাখ মানুষের দুর্ভোগ এখন চরমে পৌছেছে।
আরও পড়ুন : হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ থেকে প্রিয়া সাহাকে বহিষ্কার
জেলায় ভয়াবহ বন্যায় ৬২টি ইউনিয়ন ও ৭টি পৌরসভার প্রায় ৯ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকা মানুষের মাঝে এখন ত্রাণের জন্য চলছে হাহাকার। শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও গো খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। বানভাসি মানুষ নৌকা দেখলেই হাত বাড়িয়ে ডাকতে থাকে, আমরা পানি বন্দি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার, আমাদের ত্রাণ সহায়তা করুন।
যমুনা পশ্চিমঞ্চলের বন্যার্তদের বাড়ী ঘরে এখনো ৩ থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত পানি নীচে। সেখানে রান্না করা খাবারের সংকট ও গবাদি পশু খাদ্যের সংকট রয়েছে। বিশেষ করে দিন মজুর, নিম্ন আয়ের মানুষগুলো কাজ কর্ম না থাকায় তারা অলস বসে দিন কাটাচ্ছেন। এতে ক্রমেই দেখা দিচ্ছে তীব্র খাদ্য সংকট।
ইত্তেফাক/কেআই