ভয়াবহ দাবানলের দ্বিতীয় দিনে পুড়ছে তুরস্ক, খালি হচ্ছে গ্রাম

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলবর্তী প্রদেশ ইজমিরে ইজমির প্রদেশের বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। দাবানলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে দমকলকর্মীরা। ভয়াবহ এ দাবানল বাড়তে থাকায় চারটি গ্রাম ও দুটি পাড়া থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৩০ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

তুরস্কের বনমন্ত্রী ইব্রাহিম ইউমাকলি সোমবার জানান, ইজমিরের কুইউচাক ও দোগানবেয় এলাকায় রাতভর ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার গতির বাতাস দাবানলকে আরও ছড়িয়ে দিয়েছে। অগ্নিনির্বাপক হেলিকপ্টার, বিমান, যানবাহন এবং এক হাজারের বেশি কর্মী দাবানল নেভানোর কাজে নিয়োজিত আছেন।

তুর্কি গণমাধ্যম জানিয়েছে, দাবানলের কারণে ইজমির আদনান মেনদেরেস বিমানবন্দরের কার্যক্রম অস্থায়ীভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

টিভি ফুটেজে দেখা যায়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন পাহাড়ের ওপর দিয়ে হেলিকপ্টার পানি ছিটাচ্ছে, ট্র্যাক্টরে পানির ট্যাঙ্ক বসিয়ে আগুন মোকাবেলার চেষ্টা চলছে।

এর আগে প্রবল বাতাসের কারণে হেলিকপ্টারগুলো নামানো যায়নি। ফলে মাত্র দুইটি জলবাহী বিমান এবং একটি বড় মাটির দল আগুন নেভাতে হিমশিম খাচ্ছিল।

গভর্নর আরও জানান, আবাসিক এলাকাগুলোর খুব কাছে পৌঁছে যাওয়ায় সেফেরিহিসারের পাঁচটি পাড়া খালি করা হয়েছে।

তুরস্কের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো গ্রীষ্মকালে ক্রমেই অধিক গরম ও শুষ্ক হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত বছরও এই একই এলাকায় বড় ধরনের দাবানল হয়েছিল। দক্ষিণ ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে দাবানলের খবর পাওয়া গেছে। আগাম সতর্কতায় বহু লোককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।