ট্রায়ালের ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে কাবরেরাকে 'দুয়োধ্বনি'

প্রবাসী ফুটবলারদের নিয়ে বাফুফের তিন দিনের কার্যক্রম শেষ। শেষ দিন প্রবাসী ফুটবলাররা নিজেদের মধ্যে দুই ভাগ করে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছেন। ঐ ম্যাচ শেষেই ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কর্তারা ট্রায়ালে অংশ নেওয়া ফুটবলারদের হাতে তুলে দিচ্ছিল সার্টিফিকেট। এ সময় জাতীয় স্টেডিয়ামে বিব্রত পরিস্থিতিতে পড়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরা। ম্যাচের পর যখন মাঠ ছাড়ছিলেন কাবরেরা, তখন গ্যালারিতে অবস্থান করা দর্শকদের কাছ থেকে দুয়োধ্বনি শুনেছেন।

আগে থেকেই ঘোষণা দেওয়া ছিল সোমবার ট্রায়ালের শেষ দিন অনুষ্ঠিত হওয়া ম্যাচ দর্শকরা দেখতে পারবে বিনা মূল্যে; যা দেখতে গ্যালারিতে উপস্থিত হয়েছিল প্রায় হাজার খানেক দর্শক। বিদেশে থেকে যারা ট্রায়াল দিতে এসেছেন, তাদের পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখ করার মতো। পরে ম্যাচ শেষে জাতীয় স্টেডিয়ামের আবাহনী গ্যালারি থেকে, 'ভুয়া-ভুয়া, কাবরেরা ভুয়া। আমার সোনার বাংলায় সিন্ডিকেটের ঠাঁই নাই। দলে দলে খবর দে, সিন্ডিকেটের কবর দে'-এমন স্লোগানের মধ্যে দ্রুত স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ।

তবে দর্শকরা থামায়নি তাদের দুয়োধ্বনি। যদিও ঘটনাটিকে ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছেন বাফুফে কর্তারা। বাফুফের সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ আরিফ বলেন, 'ফুটবলের মাঠে যে চিল্লাচিল্লি (দুয়োধ্বনি) মাঠে হচ্ছে বিষয়টা খুব ভালো লাগছে। সেটা ভুয়া ভুয়া হোক কিংবা আনন্দের হোক। মাঠের ফুটবল তো আনন্দ পাচ্ছি।'

কাবরেরার বিপক্ষে একটা গ্রুপ সোচ্চার গেল মার্চে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সৌদি আরবের কন্ডিশনিং ক্যাম্প থেকে ইতালি প্রবাসী ফাহামিদুল ইসলামকে বিদায় করার পর থেকেই। সেটা অনেক দূর গড়িয়েছিল। হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল দেশের ক্রীড়া প্রশাসনের সর্বোচ্চ ব্যক্তি উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকেও। এছাড়া কাবরেরার বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট করার অভিযোগ দর্শকদের।