দিনাজপুরের অন্যতম জনবহুল বিরামপুর উপজেলার সরকারি হাসপাতালে সাপে কাটার প্রধান ঔষধ অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন কয়েক মাস ধরে সরবরাহ ছিল না। এ বিষয়ে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষ অবশেষে এই হাসপাতালে ৪০টি অ্যান্টিভেনমের বরাদ্দ দিয়েছে।
শনিবার (৫ জুলাই) বিরামপুর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহরিয়ার পারভেজ ইত্তেফাককে ধন্যবাদসহ অ্যান্টিভেনম বরাদ্দ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, জেলার পাঁচ উপজেলার কেন্দ্রস্থল বিরামপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট ও ফুলবাড়ি উপজেলার নিকটবর্তী রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসেন। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ার কারণে এই হাসপাতালে রোগীর চাপও বেশি। কিন্তু ব্যস্ততম এই হাসপাতালেই কয়েক মাস ধরে সাপে কাটা রোগীর প্রধান ঔষধ অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন সরবরাহ ছিল না। ফলে বিরামপুর থেকে ৫৬ কিলোমিটার দূরবর্তী দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাপে কাটা রোগী নিয়ে যেতে হতো। ফলে পথেই রোগীর অবস্থা গুরুতর আবার কারও ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটতো।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহরিয়ার পারভেজ বলেন, গত ২৯ মে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেন। বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার আবেদন ও কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছায় অবশেষে এই হাসপাতালে ৪০টি অ্যান্টিভেনম ইনজেকশনের বরাদ্দ মিলেছে। ঢাকা থেকে নিয়ে আসার পর ৮ জুলাই থেকে এই হাসপাতালে মিলবে সাপে কাটার প্রধান ঔষধ এন্টিভেনাম ইনজেকশন। অ্যান্টিভেনম বরাদ্দ পাওয়ায় তিনি ইত্তেফাক ও স্বাস্থ্য বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।