হবিগঞ্জে দুই পক্ষের তুমুল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫০

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।  এতে  একজন নিহত ও অন্তত ৫০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

সোমবার (৭ জুলাই) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে নিহত ফারুক মিয়া (৩৫) পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় অ্যাম্বুলেন্স চালক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আশাহিদ আলী আশার পক্ষে আনমনু, রাজাবাদ, রাজনগর, কানাইপুর, নোয়াপাড়া ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামের লোকজন পূর্ব তিমিরপুর ও চরগাঁও এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। এসময় নবীগঞ্জ শহরের মধ্যবাজার, শেরপুর রোড ও হাসপাতাল রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও অন্তত ১০টি দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাতে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছনি আহমেদ চৌধুরী বলেন, দুই গ্রুপের মধ্যে পূর্ব দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার থেকে সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে আসছে। সোমবার সংঘর্ষ চূড়ান্ত রূপ নেয়। এতে একজন নিহত ও অন্তত দেড়শ জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষের একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিকেল ৪টার দিকে ইউএনও মো. রুহুল আমিনের সই করা এক আদেশে ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। পরে সন্ধ্যায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ইউএনও মো. রুহুল আমিন বলেন, এলাকার পরিস্থিতি যেন আর অবনতি না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।