বকশীগঞ্জে অন্ধকারে আড়াই হাজার গ্রাহক

বন্যার কারণে বকশীগঞ্জ উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফলে দুই সপ্তাহ যাবত বকশীগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াই হাজার গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বন্যার পানি নেমে না যাওয়ায় বিদ্যুৎ লাইন সংস্কার করতে পারছেনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বকশীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানায়, বকশীগঞ্জ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩৪ হাজার। এর মধ্যে মেরুরচর, সাধুরপাড়া, বগারচর ও নীলাক্ষিয়া ইউনিয়নের শতভাগ অঞ্চল বন্যার পানিতে ডুবে যায়। অথৈই পানিতে ডুবে যায় বাড়ি- ঘর। অতিরিক্ত পানি ও স্রোতসহ নানা কারণে পল্লী বিদ্যুতের মূল লাইনসহ অনেক সাব-লাইনের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় লাইনগুলো সংস্কার করাও সম্ভব হচ্ছেনা। সংস্কার করার সুযোগ না থাকায় সংশ্লিষ্ট মূল লাইন ও সাব লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।  তাই সারা উপজেলায় প্রায় আড়াই হাজার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক দুই সপ্তাহ যাবত অন্ধকারে রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ লাইনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছেনা। ভোগান্তির শিকার হচ্ছে গ্রাহকরা। 

আরও পড়ুন:  রোগী সেজে ভুয়া চিকিৎসককে ধরল পুলিশ

এ ব্যাপারে বকশীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম ফরহাদ শিয়া জানান, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কিন্তু  বিদ্যুৎ লাইন সংস্কারের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়নি। তারপরও পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা দিন রাত কাজ করছেন। বন্যার পানি কমা অব্যাহত থাকলে আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। সকল গ্রাহকের কাছে স্বাভাবিকভাবে বিদ্যুৎ সুবিধা পাবেন। 

ইত্তেফাক/জেডএইচডি