রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরসহ ঢাকা–চট্টগ্রামে সড়কপথে যোগাযোগের একমাত্র পথ মারিশ্যা–দীঘিনালা সড়ক পাহাড় ধসের কারণে বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে ওই সড়কে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। পরে অবশ্য সকাল এগারটা নাগাদ মাটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
সোমবার (২১ জুলাই) ভোরে বাঘাইছড়িতে এই সড়কের ১২ কিলো এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এরপর প্রায় ৪ ঘণ্টা সড়কটি দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত থেকে বাঘাইছড়িতে বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টির কারণে সোমবার ভোরে ১২ কিলোমিটার এলাকায় পাহাড় ধসের এ ঘটনা ঘটে। এতে সকালে সড়কের দুই দিকে আটকা পড়ে অনেক সকালে কয়েকঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরিন আক্তার সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় ইত্তেফাককে জানিয়েছেন, মারিশ্যা-দীঘিনালা সড়কে পাহাড় ধসে ভোর থেকে তিন/চারঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিলো। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহায়তায় রাস্তা থেকে মাটি সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। তিনি আরও জানিয়েছেন ধসে পড়া মাটি পুরোদমে সরিয়ে ফেলার জন্য শ্রমিকরা এখনো কাজ করছে।
পাহাড়ধসের কারণে সড়কটিতে যানবাহন নিয়ে আটকা পড়েন একটি মিনিট্রাকের চালক মো. হায়দার আলী। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি দীঘিনালা থেকে বাঘাইছড়ি যাচ্ছি। সড়কে পাহাড় ধসে পড়ার বিষয়টি জানতাম না। তখন ১২ কিলো এলাকায় এসে আটকা পড়ি।’