রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল ক্যাম্পাসের ভেতরে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১৯ জন মারা গেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে প্রায় দেড় শতাধিক।
দুর্ঘটনায় আহত প্রায় ৫০ জনকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে ৮ জনের বর্তমান অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। তাই তাদেরকে আইসিউতে রেখে চিকিৎসা চলছে।
আইসিউতে থাকা আহতরা হলেন, ১/ নাফি, তার শরীরের ৯৫ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। ২/ আব্দুল্লাহ শামীম, তার শরীরের ৯০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। ৩/ শায়ান ইউসুফ, তার শরীরের ৯৫ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। ৪/ শামিমা, তার শরীরের ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। ৫/ মাহিয়া তাসনিম, তার শরীরের ৪৫ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। ৬/ আফনান ফাইয়াজ, তার শরীরের ৯৫ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। ৭/ বাপ্পি সরকার, তার শরীরের ৩৫ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। ৮/ মাসুদা, তার শরীরের ৯৫ ভাগ দগ্ধ হয়েছে।
এদিকে হতাহতের ঘটনায় জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে জরুরি হটলাইন চালু করা হয়েছে। হটলাইন নম্বর 01949043697
সোমবার (২১ জুলাই) বিকাল ৩ টার দিকে দায়িত্বরত একজন আবাসিক চিকিৎসক সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি জানান, আহতদের কে কতটুকু দগ্ধ হয়েছেন, সেটা নির্ধারণ করে যাচ্ছি। এখানে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে শিশুরাতো আছেই, প্রাপ্ত বয়স্কও অনেকেই আছেন। তবে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সোমবার দুপুরে বার্ন ইনস্টিটিউটে গিয়ে দেখা যায়, বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে একের পর এক রোগী আসছেন। চিকিৎসকরা দ্রুত তাদের জরুরি বিভাগে নিয়ে চিকিৎসা দিতে তোরজোড় করতে দেখা গেছে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এই মুহূর্তে প্রচুর রোগী আসছে, এখন কথা বলা যাবে না।’
বিকালে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট ঘুরে দেখা যায়, দলে দলে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ রক্ত দিতে আসছেন। তবে পজিটিভ রক্ত পর্যাপ্ত হয়ে গেলেও সংকট রয়েছে নেগেটিভ রক্তের। এ অবস্থায় মেডিক্যালের ভেতরে এবং বাইরে মাইকিং করা হচ্ছে রক্তের জন্য।