শিবগঞ্জে পদ্মার ভাঙনে বিলীন ৭০ বাড়ি-ঘড়, ঝুঁকিতে শতাধিক পরিবার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গিয়েছে ৭০টি ঘরবাড়ি, হাজার বিঘা জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও গোরস্তান। আরও প্রায় ১০০ পরিবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। অসহায় পরিবারগুলো আর্থিক সংকটের কারণে খোলা আকাশের নীচে অনাহারে দিনাতিপাত করছে।

মবার (২৮ জুলাই) সরেজমিনে দূর্লভপুর ও পাকা ইউনিয়নের ৭-৮ টি গ্রাম ঘুরে এই ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গিয়েছে। 

শিবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা আলী কাউসার বলেন, ‘এবার প্রায় ৬০-৭০টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং রঘুনাথপুর বিজিবি বিওপি সহ প্রায় শ খানেক বাড়ি হুমকির মুখে আছে।’

তিনি জানান, পদ্মার বাম তীর সংরক্ষণের জন্য ১৭০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন হয়েছে। বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এটি একনেকে অনুমোদন হলেই শিবগঞ্জের মনকষা ইউনিয়নের মাসুদপুর বিওপি হতে পাকা ইউনিয়নের শেষ সীমানা পর্যন্ত প্রায় পদ্মার বাম তীর ১১.০১৫ কিলোমিটার ও ডান তীর ১০.৪৪০ কিলোমিটার সংরক্ষণ করে নদী ভাঙ্গন রোধ হবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ত্রাণ শাখার কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, ‘শিবগঞ্জে নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তের সংবাদ আমার কাছে নেই। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর এলাকায় ২৫০ টি পরিবারের ১২০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

দূর্লভপুর ইউনিয়নের ঝাল পাড়া গ্রামের এক মাদ্রাসা শিক্ষক জানান, ‘গত ২০ দিনে আমাদের গ্রামে ১৪টি বাড়ি, একটি মসজিদ ও প্রায় ৪০০ বিঘা ফসলি জমি এবং গত তিন বছরে প্রায় ৬০ টি বাড়ি ও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এক হাজার বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।’