অনুমতি ব্যতীত গেজেটে আমার নাম, সেটাও ভুল বানানে: নূরুল কবীর

অনুমতি না নিয়েই প্রেস কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিউ এইজের সম্পাদক নূরুল কবীর। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

পোস্টে নূরুল কবীর লেখেন, খুবই অবাক হলাম যে, তথ্য মন্ত্রণালয় প্রেস কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে ভুল বানানে আমার নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। সেটাও আবার আমার অনুমতি ব্যতীত।

তিনি বলেন, অতীতে একাধিক সরকারের পক্ষ থেকে আমাকে প্রেস কাউন্সিলে থাকার অনুরোধ করা হয়েছিল। আমি সেই অনুরোধ বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছি। কিন্তু এবার সরকারি কিংবা অন্য কোথাও থেকে আমার সম্মতি নেওয়ারও চেষ্টা করেননি। এটি খুবই অদ্ভুত।

তার নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, আমার নাম তালিকা থেকে প্রত্যাহার করে আমার অনুরোধ মেনে নিয়ে বাধিত করবেন।

উল্লেখ্য, সোমবার ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম ও নিউ এইজের সম্পাদক নূরুল কবীরকে রেখে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের নতুন কমিটি ঘোষণা করে তথ্য মন্ত্রণালয়।

দুই বছর মেয়াদি এ কমিটির সদস্যরা হলেন—বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দৌলত আকতার মালা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম; নিউ এইজের সম্পাদক নূরুল কবীর ও বণিক বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ।

১২ সদস্যের এ কমিটিতে আরও আছেন ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, দৈনিক পূর্বকোণের সম্পাদক রমিজ উদ্দিন চৌধুরী ও নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) উপদেষ্টা আখতার হোসেন খান।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সচিব মো. ফখরুল ইসলাম ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীনও আছেন কমিটিতে।

এর আগে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. এ কে এম আবদুল হাকিমকে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের নতুন চেয়ারম্যান করে অন্তর্বর্তী সরকার; তাকে তিন বছরের জন্য ওই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়া মো. নিজামুল হকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ গত ৯ সেপ্টেম্বর বাতিল করা হয়। তার আড়াই মাস পর দায়িত্ব দেওয়া হয় আবদুল হাকিমকে।