অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র যারা করছেন, তাদের নাম জনসম্মুখে প্রকাশ করুন। নির্বাচন বানচাল করার জন্য স্বৈরাচার শেখ হাসিনার প্রেতাত্মা, পুলিশ ও প্রশাসন বসে রয়েছে। নির্বাচনের আগে যদি আওয়ামী লীগ কোনো ষড়যন্ত্র করে, তাহলে এর দায়ভার অন্তর্বর্তী সরকারকে নিতে হবে।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে গণ-অভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর বাকশাল কায়েম করতে গিয়ে তাঁর জনপ্রিয়তায় ধস নামে। শেখ মুজিবের অবদানকে আমি অস্বীকার করি না। তবে যে শেখ মুজিবুর রহমান গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন, তাকে আমি পছন্দ করি না। যে দলের জন্য, যাদের রক্ষার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করার সুযোগ করে দিলেন, সেই লোকগুলো কি তার মৃত্যুর পর বলেছিল, “চলো যাই রাস্তায় নামি?’’ কেউ নামেনি। এক মিনিটের জন্য শেখ মুজিবুরের জন্য তারা মিছিল করেনি।’
তিনি বলেন, নব্য ফ্যাসিবাদের জন্ম হচ্ছে—যারা এই অপবাদ দিচ্ছেন, তারা অপবাদ দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেননি। বিএনপি একটি আদর্শের দল। এই দল স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করেছে, এরশাদবিরোধী আন্দোলন করেছে। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে এই দলের নেতা-কর্মীরা গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার কথা বলা হলেও মেরুদণ্ড সোজা করে তিনি নির্বাচনের কথা বলেছেন।