অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিষয়ক সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। রায়ের জন্য আগামী ২ সেপ্টেম্বর দিন রেখেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৩ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ দিন ঠিক করেন।
বিদ্যমান ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধস্তন বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ, পদোন্নতি, কর্মস্থল নির্ধারণ ও ছুটি মঞ্জুরিসহ শৃঙ্খলাবিধান রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত, যা সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রয়োগ করা হয়।
২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী এই অনুচ্ছেদ ও ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চান। পরের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চান কেন অনুচ্ছেদ ও বিধিমালা অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না এবং কেন পৃথক সচিবালয় গঠন করা হবে না।
রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানসহ আইন কর্মকর্তারা এবং রিটকারীদের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির শুনানিতে অংশ নেন। অ্যামিকাস কিউরি ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূইয়া।
রিটে বলা হয়, ১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সুপ্রিম কোর্টের হাতে ছিল। ১৯৭৪ সালের চতুর্থ সংশোধনীতে এ ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়। পরে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমান ধারা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।