রংপুরে ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে সম্প্রতি বিভাগটির বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে বন্যা। ডুবেছে জমি, বসতবাড়ি, সবজি ক্ষেত। ভেসে গেছে মাছের ঘের। বন্যার প্রভাব পড়েছে এই বিভাগের গ্রাম থেকে শুরু করে শহরের কয়েক শত কাঁচাবাজার ও হাট-বাজারে। কয়েকদিনের ব্যবধানে সবজির দাম বেড়েছে তিনগুণ। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি পটল ১০ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়। ঢেঁড়স ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকায়। ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া বেগুনের দাম বেড়ে হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। মিষ্টি কুমড়া ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। বরবটি ১০-১২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা। এছাড়া করলা ২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। কচুরমুখী ১০ থেকে ১৩ টাকা বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। ১৫ টাকা কেজির আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।
কাঁচামরিচ ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি ছিল, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। পেঁয়াজ ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন দাম কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
আরও পড়ুন: জন্ম নিলো মলদ্বারবিহীন পেট ও বুক জোড়া লাগানো জমজ শিশু
বাজার করতে আসা আলমঙ্গীর হোসেন জানান, বাজারে সবজির দাম খুব চড়া। দুই সপ্তাহ আগে যে দাম ছিল, এখন তা বেড়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ হয়ে গেছে। কোনো কিছুর দাম নিয়ন্ত্রণে নেই।
রংপুরের কাউনিয়া বাজারের সবজি দোকানি এমদাদুল বলেন, সবজি সাধারণত বিভিন্ন চরাঞ্চল থেকে রংপুরের বিভিন্ন বাজারে আসে। বন্যার কারণে ওইসব অঞ্চল থেকে সবজির সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা বেশি দামে সবজি সরবরাহ করছে। এ কারণে বাজারে হঠাৎ সবজির দাম বেড়ে গেছে। আমাদেরও বেশি দামে সবজি কিনে বিক্রি করতে হচ্ছে।
ইত্তেফাক/অনি