ঢাকার কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীর তীর দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) এই অভিযানের শেষ দিনে সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের একটি বাগানবাড়ির (বাংলো) সীমানাপ্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের কাউটাইল ডকইয়ার্ড এলাকা থেকে শুরু হয়ে দোলেশ্বর পর্যন্ত এ অভিযান চলে। এ সময় নদীর তীরে দখল করে নির্মিত প্রায় ২০০ ফুট সীমানাপ্রাচীর, ছোট-বড় ৩০টি টং ও ছাপড়াঘর এবং নদীর পাড়ঘেঁষা আরও প্রায় ৩০০ ফুট সীমানাপ্রাচীর উচ্ছেদ করা হয়। এতে করে এক একর নদীতীর ভূমি দখলমুক্ত হয়।
দুই দিনের অভিযানে মোট ৩৩টি স্থাপনা, ৫০০ ফুট সীমানাপ্রাচীর উচ্ছেদ এবং প্রায় আড়াই একর নদীতীরভূমি দখলমুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিআইডব্লিউটিএর ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নদীর তীরের অবৈধ সীমানাপ্রাচীরসহ ছোট-বড় সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এই অভিযান চলমান থাকবে। দখলদার যেই হোক না কেন, অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। নদীর জায়গা নদীকেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক আবু সালেহ এহতেশাম (ঢাকা নদীবন্দর), নুর হোসেন (ঘোড়াশাল নদীবন্দর), রেজাউল করিম (মেঘনা নদীবন্দর)। এছাড়াও অভিযানে পুলিশ, র্যাব, আনসার সদস্য ও নৌ শ্রমিকরা অংশ নেন।