সারিয়াকান্দিতে যমুনার তীব্র ভাঙন, আতঙ্কে ছয় গ্রামের মানুষ

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীতে আবারও তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে উপজেলার ইছামারা ও গোদাখালি পয়েন্টে প্রায় দেড়শ বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ভাঙন এলাকা থেকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দূরত্ব মাত্র ১০০ মিটার। এতে বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা ঘটলে বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলার কয়েকটি উপজেলার ফসলি জমি ও জনপদ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে।

বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় আশপাশের কামলপুর, ইছামারা, গোদাখালি, তালতলা, দরিপাড়া ও হাওড়াখালিসহ ছয়টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয়রা জানান, তারা রাতে ঘুমাতে পারছেন না। যেকোনো সময় নদীর গতি পরিবর্তন হয়ে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি ভেঙে নিতে পারে।

গত দুই বছরে শুধু কামলপুর ও ইছামারা পয়েন্টেই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ৫০০ ঘরবাড়ি এবং ৩০০ বিঘা আবাদি জমি।

বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রধান প্রকৌশলী (নকশা) মাহফুজুর রহমান জানান, যমুনা নদীর ভাঙন রোধে একটি স্থায়ী তীর সংরক্ষণ প্রকল্প হাতে নেওয়ার লক্ষ্যে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্তাব (ডিপিপি) গ্রহণ করা হয়েছে। স্টাডি চলছে। এর ভিত্তিতে প্রকল্পের চূড়ান্ত নকশা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বগুড়ার সারিয়াকান্দি এবং ধুনট উপজেলাকে নদী ভাঙন থেকে রক্ষা করতে একটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙন কবলিত এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে।