জুনে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। তবে আগামী মাসে বিশ্বকাপের আগে শেষ দুইটি ম্যাচে প্রাথমিক স্কোয়াডে ডাক পেলেও কার্লো আনচেলত্তির চূড়ান্ত স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন নেইমার জুনিয়র। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় সান্তোস তারকার ইনজুরি। গেল বৃহস্পতিবারে অনুশীলনে ডান পায়ের উরুতে চোট পান নেইমার। যদিও সান্তোসদের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ৩১ তারিখে ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরতে পারবেন নেইমার জুনিয়র।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর মারাকানায় চিলির বিপক্ষে মাঠে নামবে সেলেসাওরা এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ১০ সেপ্টেম্বর বলিভিয়া আতিথেয়তা দেবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। এরপর বিশ্বকাপের আগে আর কোনো ম্যাচ নেই। যার কারণে নেইমারের জন্য এই দুই ম্যাচ ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তবে চোটে থাকার কারণে দলে রাখা হয়নি সেলেসাওদের সবচেয়ে বড় তারকাকে। নেইমারকে দলে না রাখার ব্যাখ্যা দিয়েছেন কোচ। যা মনে ধরেনি ৩৩ বছর বয়সী তারকার।
গতকাল কেটলবেল নিয়ে জিমে কাটানোর ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন নেইমার। সেই ছবির ক্যাপশনে ছিল রহস্যময় এক বার্তা। সেখানে নেইমার লিখেছেন, 'লক্ষ্য অর্জনে আকাঙ্ক্ষা, দৃঢ়তা এবং অধ্যবসায় থেকেই সাফল্য আসে। এমনকি যদি আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারেন, যারা বাঁধার মুখোমুখি হয়েও পরিশ্রমের মাধ্যমে অতিক্রম করে, তারা অন্তত প্রশংসনীয় কাজ করে।'
ঠিক কী কারণে এমন পোস্ট দিয়েছেন নেইমার, তা নিশ্চিত নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভক্ত-সমর্থকদের দাবি, দলে না রাখায় ক্ষোভে এমনটি বলেছেন নেইমার। কেননা ৩১ আগস্ট ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারলে ৫ সেপ্টেম্বর চিলির বিপক্ষে খেলা কঠিন কাজ হতো না সাবেক বার্সা তারকার জন্য।
এর আগে সবশেষ ২০২৩ সালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে ছিলেন নেইমার। এরপর একের পর এক ইনজুরির কারণে জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা হয়নি এই ব্রাজিলিয়ান তারকার। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন, ঐতিহ্যবাহী মারাকানায় আবারও জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়াবেন তিনি। তবে এখন সেটা হচ্ছে না, এর জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে ২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত।