একসঙ্গে সাগরে ভেসে যাওয়া ২ বন্ধু সৈকতে ফিরলো লাশ হয়ে

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী হাবিব ও সায়েম, এই দুই কিশোরসহ মোট ৬ বন্ধু শখের বশে সাগরে গিয়েছিল মাছ ধরতে। কিন্তু হঠাৎ ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে যায় হাবিব ও সায়েম। একসঙ্গে ভেসে গেলেও ইনানী সমুদ্র সৈকত ও মনখালী সমুদ্র সৈকতে তাদের মরদেহ ভেসে এসেছে।

সবশেষ শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে উখিয়ার ইনানী সমুদ্র সৈকত থেকে ভাসমান অবস্থায় হোসনের পুত্র হাবিবুল আবছার হাবিবের (১৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উখিয়ার মনখালী সমুদ্র সৈকত থেকে নাজমুল হোসেন সায়েমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

এদের মধ্যে হাবিবুর রহমান উখিয়ার উপকূলীয় জালিয়াপালং ইউনিয়নের মনখালী বাঘঘোনা পাড়া গ্রামের নুর হোসনের ছেলে এবং উখিয়ার সায়েম জালিয়াপালং ইউনিয়নের মনখালী বাঘঘোনা গ্রামের নাজির হোছনের ছেলে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে ইনানী সমুদ্র সৈকতে ভাসমান একটি মরদেহ দেখতে পায় জেলেরা। পরে স্থানীয়রা কোস্টগার্ডকে খবর দেয়। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড ভাসমান মরদেহটি তীরে নিয়ে আসেন। পরে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। 

একইভাবে শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উখিয়ার মনখালী সমুদ্র সৈকত থেকে নাজমুল হোসেন সায়েম নামে এক যুববকের মরদেহ উদ্ধার করেন স্হানীয়রা। 

স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ আহমদ বলেন, শুক্রবার সকালে বন্ধুদের সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়েছিল। এর মধ্যে দুইজন পানিতে ভেসে যাই। এরমধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। বাকী একজন খোঁজে পাওয়া যায়নি। 

ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দুর্জয় বলেন, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা ও কোস্ট গার্ড। তাদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

প্রসঙ্গত এর আগে গত শুক্রবার সকালে উখিয়ার উপকূলীয় মনখালী সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন দুই শিক্ষর্থী। বাকি চারজন নিরাপদে ফিরে আসে।