বিশেষ বিসিএস: শুক্রবার পরীক্ষায় বসছেন ৩ লাখের বেশি প্রার্থী

সরকারি কলেজের ৬৮৩টি শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আয়োজিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের এমসিকিউ পদ্ধতির লিখিত পরীক্ষায় শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ৩ লাখ ১২ হাজার ৭৫২ জনেরও বেশি প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। 

ঢাকার ১৮৪টি কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি পদ-এর বিপরীতে এই পরীক্ষায় লড়ছেন প্রায় ৪৬০ জন প্রার্থী, যা তীব্র প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত দেয়। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জন্য আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু হতে পারে।

সরকারি কলেজে শিক্ষক পদে নিয়োগের এই বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৩ লাখ ১২ হাজার ৭৫২ জন প্রার্থী। পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান বৃহস্পতিবার রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, 'পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।' 

পরীক্ষা পরিচালনার নির্দেশনা অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রগুলোর প্রবেশ গেইট বন্ধ হয়ে যাবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা রয়েছে, কেন্দ্রে বই-পুস্তক, সকল প্রকার ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক কার্ড, ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গয়না ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষেধ। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র যাচাই এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে তল্লাশি করা হবে।

পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের কান খোলা রাখতে হবে। কানে 'হিয়ারিং এইড' প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ কমিশনের অনুমোদন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা কমিশনের মনোনীত শ্রুতিলেখকের সহযোগিতা নিতে পারবেন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য শ্রুতিলেখকদের ক্ষেত্রে ২০ মিনিট এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ১০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। 

এই বিসিএসের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দিতে গত ২১ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি এবং ২২ জুলাই থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল।