বিএনপির অস্তিত্ব শুধু মিডিয়ায়: খালিদ

লুটেরা, দুর্নীতিবাজ বিএনপিকে দেশের মানুষ বর্জন করেছে, দেশের গণমাধ্যম ছাড়া বিএনপির কোথাও কোন অস্তিত্ব নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার জেলার বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যৌথ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তিনি।

খালিদ মাহমুদ বলেন, দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বকে বাঁচাতে, বিশৃঙ্খলার অংশ হিসেবেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। রুহুল কবির রিজভী বিএনপির আবাসিক নেতা। মাঝে মধ্যে ভোরবেলা মিছিল করেন আর টিভিতে সাক্ষাতকার দেন। এখন বিএনপিকে টিভি আর পত্রিকার পাতা ছাড়া কোথাও দেখা যায় না। বিএনপিকে বাঁচিয়ে রেখেছে মিডিয়া।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর যতগুলো নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে এবারের নির্বাচন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট নির্বাচন বর্জন করেনি, তারা নির্বাচন প্রতিহত করতে চেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদেরকে সে সময় নির্বাচনে আনতে খালেদা জিয়াকে ফোন করেছিলেন। সেদিন বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী আচরণ করেছিল তা সবাই জানেন।

আরো পড়ুন: পাইলটের আসনে প্রধানমন্ত্রী

খালিদ মাহমুদ বলেন, বিএনপিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ পছন্দের মন্ত্রণালয়গুলো দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে যখন নির্বাচনে আনার চেষ্টা চলছিল তখন বেগম জিয়া নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে ৯৩ দিন অবরোধ করেন। হিন্দু পরিবারগুলোর উপর পরিকল্পিতভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়। তারা এ সব করেছিল এতিমের টাকা মেরে খাওয়ার মামলা থেকে খালেদা জিয়াকে ও দুর্নীতিবাজ তারেক রহমানকে বাঁচানোর জন্য।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ড. কামালসহ সবাই সংলাপে সন্তুষ্ট হলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তিনি আজ মিথ্যা কথা বলতে বলতে ক্লান্ত। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ৭৫টি দলের সঙ্গে সংলাপ করেছেন। তারা গণভবনে কী কী দাবি করেছেন তা না বলে মিডিয়ার কাছে বললেন আমরা গণভবনের পানিও খাব না। কিন্তু তারা সব কিছু খেলেন। সংলাপের পর সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। কাজেই সংলাপও সফল হয়েছে। এখন বলছেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। আমিও বলছি নেই। যদি রাজাকার, আলবদর, আলসামস, রাজাকার হিসাবে প্রমাণিত দণ্ডিত অপরাধীদের সন্তানদের ও স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তিকে নির্বাচন করতে হয় তাহলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কিভাবে থাকতে পারে।

বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, বিরল পৌরসভার  মেয়র সবুজার সিদ্দিক সাগর প্রমুখ।

ইত্তেফাক/জেডএইচ