হাইকোর্টে জেলা জজের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা

হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদ। একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে মামলার অভিযোগ গঠন থেকে বাদ দেওয়ায় ওই বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেন প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শাতে বলা হয়। এরপরই বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চান ওই বিচারক।

এতে বলা হয়, ‘উভয়পক্ষের শুনানি ও নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেওয়া হয়। উক্ত আদেশটি সঠিকভাবে প্রচারিত হয়নি এবং তা আইন সংগত নয় এবং আইনিনীতির সুস্পষ্ট লংঘন মর্মে হাইকোর্ট বিভাগ সদয় হয়ে আদেশ দিয়েছেন। উক্ত ভুলের জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থী। ভবিষ্যতে এরূপ ভুল না করার জন্য সতর্ক থাকবো।’

এদিকে হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার প্রধান আসামি মল্লিক মাঝহারুল ইসলাম বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণের পরই তাকে জামিন দিয়েছে ওই আদালত। আসামিকে দেওয়া ওই জামিন কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে মঙ্গলবার রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২০ আগস্ট ওই রুলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আদালতে বিচারকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন রবিউল আলম বুদু।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে ৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে, আরও ৩ জনকে ঢাকায় প্রেরণ

নড়াইলের কালিয়ার চন্ডিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি এনামুল নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পরদিন মল্লিক মাঝহারুল ইসলাম ওরফে মাঝাসহ ৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে নিহতের ভাই নাজমুল হুদা কালিয়া থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় চলতি বছরের ১০ জুন নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মামলার প্রধান আসামি মাঝার নাম বাদ দিয়ে অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ওই আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন নিহত এনামুলের ভাই নাজমুল হুদা।

ইত্তেফাক/নূহু